অবৈধ গ্যাস সংযোগে বাড়িওয়ালা সেলিমের ১২ বছরে ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
অবৈধ গ্যাস সংযোগে বাড়িওয়ালা সেলিমের ১২ বছরে ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ
সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লা রেলস্টেশন হাজী আওলাদ হোসেন মোল্লা সুপার মার্কেট কমিটি গঠন বক্তাবলী থেকে ডিবির অভিযানে ‘টাইসন’ আসলাম গ্রেপ্তার শিমু ও অভির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জাকির ও তার পরিবারের সোনারগাঁয়ে অনুমতিবিহীন শিশু-কিশোর মেলা, ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা ফতুল্লায় বিএনপির বিরুদ্ধে এনসিপি নেতার উপর হামলার অভিযোগ ফতুল্লায় প্রকাশ্যে আওয়ামী দোসর ইব্রাহিম-বাদশা! ফতুল্লায় সম্পত্তির ভাগ চাওয়ায় শিক্ষক বোন ও মাকে কুপিয়ে জখম মুসলিমনগরে মাদকের আস্তানা ভেঙে দিল এলাকাবাসী আবারও জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হলেন নন্দন চন্দ্র সরকার মুক্তিযোদ্ধা অমৃত লাল মোদকের ৫১ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত শহরের মাদক ও অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রক ‘ম্যাংগো গং’ অধরা আয়নায় আশাকে নিজের চেহারা দেখতে বললেন মুকুল! লক্ষ্মীনারায়ণ দুর্গা মন্দির উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় বিএসপি রুসেন হাউজিংয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মহোৎসব! চোরাই তেলের ব্যবসায় কোটিপতি রায়হান গং!

অবৈধ গ্যাস সংযোগে বাড়িওয়ালা সেলিমের ১২ বছরে ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন এনায়েতনগর ইউনিয়নের মুসলিমনগর প্রেম রোড এলাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগের অন্যতম আলোচিত নাম এখন সেলিম। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে দীর্ঘ ১২ বছর ধরে অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করে সরকারকে বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করেছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোল্ডিং নম্বর ৬৯৬, ওয়ার্ড-৪, ব্লক-ডি, মুসলিমনগর প্রেম রোড এলাকায় ২০১৪ সালে ভবন নির্মাণের পর থেকেই সেলিম অবৈধভাবে ১০টি গ্যাস সংযোগ ব্যবহার করে আসছেন। এই অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে ২০১৪ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩২ লাখ ৪৫ হাজার টাকার সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, তিতাস গ্যাস কোম্পানির কন্ট্রাক্টর গিয়াসের মাধ্যমে এককালীন ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে এসব সংযোগ নেওয়া হয়। এছাড়াও প্রতি বছর নির্দিষ্ট অংকের টাকা পরিশোধ করে অবৈধ সংযোগ সচল রাখা হতো। পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যেই চললেও রহস্যজনক কারণে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এলাকাবাসীর দাবি, সেলিম স্থানীয়ভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পান না। বরং বিষয়টি নিয়ে কেউ তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে বা প্রতিবাদ করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং ভয়ভীতি দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“সেলিম প্রকাশ্যে বলে বেড়ান তার বিরুদ্ধে কিছু করার ক্ষমতা কারও নেই। প্রশাসনও নাকি তার নিয়ন্ত্রণে। এজন্য এলাকায় সবাই আতঙ্কে থাকে।”

এদিকে বৈধ গ্যাস সংযোগের জন্য সাধারণ মানুষ বছরের পর বছর অপেক্ষা করলেও সেলিমের মতো ব্যক্তিরা অবৈধ সংযোগে নির্বিঘ্নে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

সচেতন মহলের দাবি, সেলিমের অবৈধ গ্যাস সংযোগ দ্রুত বিচ্ছিন্ন করে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিতাস গ্যাসের অসাধু কর্মকর্তা ও দালালচক্রকেও আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..