1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৯:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
অয়ন ওসমানের রোগ মুক্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন সৈকত লিপি ওসমানের রোগমুক্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন সৈকত লিপি ওসমানের রোগমুক্তির জন্য দোয়া চেয়েছেন মান্নান কাশিপুরে ছাত্রলীগ নেতা দীপ্ত’র উদ্যোগে লিপি ওসমানের সুস্থতা কামনায় দোয়া অরাজনৈতিক সংগঠন চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের আত্মপ্রকাশ দোয়া কামনা যুবলীগ নেতা জুয়েলের উদ্যোগে ওসমান পরিবারের সুস্থতা কামনায় দোয়া সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা লিটনের উদ্যোগে ওসমান পরিবারের সদস্যদের সুস্থতা কামনায় দোয়া মসজিদের হাউস পরিষ্কার করতে গিয়ে বিস্ফোরণ, আহত ১ মসজিদে বিস্ফোরণে নিহতদের স্মরণে জেলা ছাত্র ও যুব পরিষদের দোয়া লিপি ওসমানের সুস্থতা কামনায় শরীফুল হকের উদ্যোগে বিভিন্ন মসজিদে দোয়া লিপি ওসমানের সুস্থতা কামনায় মীর সোহেলের পক্ষে মাসুমের দোয়া কামনা গ্রামে-গঞ্জে যান দেখবেন সবাই সমবায়ের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে : রণজিৎ মোদক করোনায় আক্রান্ত লিপি ওসমানের জন্য দোয়া চেয়েছেন ফরিদ আহমেদ লিটন সদর উপজেলায় সমবায়ীদের ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

এসআই শামীম প্রত্যাহার, বহাল ওসি আসাদুজ্জামান

নগর সংবাদদাতা
  • প্রকাশিত সময় : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১৮৭ বার পঠিত
এসআই শামীম প্রত্যাহার, বহাল ওসি আসাদুজ্জামান

অবশেষে বাধ্য হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শামীম আল মামুনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার (২৬) আগস্ট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ জাহেদুল আলমের নির্দেশে তাকে প্রত্যাহার করে জেলা পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে। গণধর্ষণের পর মৃত স্কুল ছাত্রী জিসা মনি (১৫) জীবত উদ্ধার হওয়া মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন আলোচিত এসআই শামীম। মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

এদিকে এসআই শামীম প্রত্যাহার হলেও ঘটনার দায় এড়াতে পারেন না সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান। এসআই শামীম ওসি আসাদুজ্জামানের সাথে পরামর্শ এবং আলোচনা করেই সব করেছেন। সেখানে ওসিকেও প্রত্যাহার করা উচিৎ। তাহলে তদন্ত কমিটির তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠার সুযোগ থাকবে না বলে মনে করছেন আসামী পক্ষের আইনজীবি ও ভুক্তভোগিরা।

ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুল ছাত্রী জিসা মনির লাশ নদীতে ফেলে দেয়ার ৪৯ দিন পর ওই স্কুল ছাত্রী জীবিত ফেরত আসার ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলেও এসআই শামীম বহাল তবিয়তে ছিলেন। যদিও জিসা মনি অপহরণ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ছিলেন এস আই শামীম আল মামুন।

ক্ষোভ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবি মোঃ রোকন উদ্দিন অভিযোগ করছেন, মামলার বাদী ও পুলিশ মিথ্যা মামলার নাটক সাজিয়ে নিরপরাধ তিনজনকে আসামি বানিয়ে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন ও জবানবন্দি আদায় করেছে।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ পাক্কা রোড এলাকার স্কুলছাত্রী গত ৪ জুলাই নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর ১৭ জুলাই সদর মডেল থানায় একটি জিডি করেন স্কুলছাত্রীর বাবা। এক মাস পর ৬ আগস্ট একই থানায় স্কুলছাত্রীর বাবা অপহরণ মামলা করেন। ওইদিনই পুলিশ বন্দর উপজেলার বুরুন্ডি খলিল নগর এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আব্দুল্লাহ (২২) ও তার বন্ধু বুরুন্ডি পশ্চিমপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে রকিবকে (১৯) এবং ৭ আগস্ট বন্দরের একরামপুর ইস্পাহানি এলাকার বাসিন্দা নৌকার মাঝি খলিলকে (৩৬) গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।

৯ আগস্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শামীম আল মামুন জানায়, স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেয় আসামিরা। তারা আদালতে ১৬৪ ধারায় এ ঘটনা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। অথচ ২৩ আগস্ট দুপুরে ৪৯ দিন পর সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে স্কুল ছাত্রী জিসা মনি। এ ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয় সর্বত্র।

গ্রেপ্তারকৃত তিন জনের স্বজনদের অভিযোগ রিমান্ডে নিয়ে এসআই শামীম পিটিয়ে ও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাদের আদালতে জবানবন্দি দিতে বাধ্য করেছে। তারা আরও বলেন, তিন আসামীর স্বজনদের কাছ থেকে এসআই শামীম দফায় দফায় ৪৭ হাজার টাকাও নিয়েছে রিমান্ডে মারবে না এই শর্তে।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!