1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
শনিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২১, ১২:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফরিদ আহমেদ লিটনকে প্রান্ত পালের ফুলেল শুভেচ্ছা না’গঞ্জ জেলা ছাত্র-যুব ও শ্রমিক অধিকার পরিষদের প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত ফরিদ আহমেদ লিটনকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা লিটনকে আদর্শনগর সমাজ উন্নয়ন কমিটির নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা লিটনকে দাপা বালুরঘাট ট্রাক চালক সমিতির নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা মোমেন সিকদারকে কাশিপুর যুব সমাজের ফুলেল শুভেচ্ছা ফরিদ আহমেদ লিটনকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ফতুল্লা থানা আ’লীগের যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ায় লিটনকে ফুলেল শুভেচ্ছা মাদকাসক্ত চিকিৎসায় ১৭ বছরের অগ্রযাত্রায় ‘প্রয়াস’ পল্টনে ছাত্রদল নেতা রনির কুশপত্তলিকা দাহ আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে শুক্রবারও দোকান খোলা ফতুল্লা ব্লাড ডোনার্সের দিনব্যাপী কর্মসূচি পালিত নেতা-কর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত হলেন রিয়াদ মোঃ চৌধুরী ফতুল্লায় মনিরুলের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ শিবু মাকের্টে মহানগর মা ও শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন

ঘরের শত্রু বিভীষণ : আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনে তৈমূরের পন্থিদের ভরাডুবি

মোঃ মনির হোসেন
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ২৩১ বার পঠিত
ঘরের শত্রু বিভীষণ : আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনে তৈমূরের পন্থিদের ভরাডুবি

বিএনপির রাজপথের দ্বন্ধ এখন আদালতপাড়ায় ও ছড়িয়ে পড়েছে। তাই নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী ফোরামের কমিটি গঠনে নির্বাচন করতে হয়েছে। নির্বাচনে দুই প্যানেলের একটির নেতৃত্বে ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার আর অপরটির নেতৃত্বে ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি এড. সাখাওয়াত হোসেন খান। আর নির্বাচনে তৈমূরের প্যানেলের ভরাডুবি হয়। মূলত নেতাদের দ্বন্ধে দুটি প্যানেল গঠন হয়ে এ নির্বাচন হয়েছে। তাই নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবীরা এখন দুভাগে বিভক্ত।

দলের দু:সময়েও নারায়ণগঞ্জে বিএনপির শত্রু বিএনপি। একই সাথে নেতাদের কোন্দলের কারণে জেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করার ১০ মাস পরও নতুন কমিটি দিচ্ছে না কেন্দ্র। আর নতুন কমিটিকে কেন্দ্র করে দলের মধ্যে গ্রুপিং চলছে। গ্রুপিংয়ের কারণে দিন দিন ছোট হচ্ছে নারায়ণগঞ্জ বিএনপি। মহানগর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা না হলেও কোন কর্মসূচীতেই ঐক্যবদ্ধ দেখা যায়নি নেতাদের। পৃথকভাবে কর্মসূচী পালনসহ একে অপরকে ঘায়েল করতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকেন মহানগর ও জেলা বিএনপির নেতারা।

এছাড়াও ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের সাথে আতাঁত রয়েছে বিএনপির অনেক নেতার। তাই মহানগর কমিটি নিয়েও নারায়ণগঞ্জ বিএনপি গ্রুপিংয়ের রাজনীতি করছে। কার গ্রুপ কেন্দ্রে থেকে কমিটি নিয়ে আসতে পারে সেই প্রতিযোগিতায় রয়েছে স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতারা। আর এতে করে তাদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হচ্ছে এবং কোন্দল বাড়ছে। আর কোন্দলে আটকে আছে জেলা বিএনপির কমিটি। প্রায় ১০ মাস হতে চললো কমিটি নেই নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির।

এ সময়ের মধ্যে জাতীয় কিংবা দলীয় কর্মসূচিগুলোতে তেমন একটা সক্রিয় দেখা যায়নি জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতাদের। সেই সাথে স্থানীয় মতামতের ভিত্তিতে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিৃয়াও চলছিলা বেশ জোরেশোরে। সম্ভাব্য পদ প্রত্যাশী নেতারাও তৎপর ছিলেন কেন্দ্রে লবিং কিংবা স্থানীয় জনসমর্থন আদায়ে। কিন্তু বিশ্বব্যাপী প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের ছোবলে লন্ডভন্ড হয়ে পরে গোটা মানবসভ্যতা। সেই সাথে আটকে যায় নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির নতুন কমিটি গঠনের সকল কার্যক্রম।

মূলত প্রায় বেশীরভাগ কর্মসূচিতেই থাকতেন অনুপস্থিত, আর মাঝে মাঝে দুএকটি কর্মসূচিতে এলেও তড়িঘড়ি করে নেতাকর্মীদের ফেলেই পালিয়ে যান। অপরদিকে, মহানগর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা না হলেও নেতাদের কোন্দলে চরম আকারে রূপ নিয়েছে। এক নেতা অপর নেতাকে ঘায়েল করতে মরিয়া ‘ঘরের শত্রুতেই বিভিশন’। আর তাই নেতাদের ঐক্য চান সাধারণ নেতা কর্মীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!