1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০১:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর দেয়া চেক পেল মসজিদে অগ্নিকান্ডে নিহতের স্বজনরা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ছাত্রলীগ নেতা বাবু’র শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা লিটনের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে যুবলীগ নেতা মাসুমের শুভেচ্ছা ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি সিদ্ধিরগঞ্জে প্রেমিকার বিয়ের দিনে প্রেমিকের আত্মহত্যা সস্তাপুরে সম্পত্তি আত্মসাত করতে জুলহাসের মিথ্যাচারিতা ফতুল্লা থানা শেখ রাসেল শিশু-কিশোর পরিষদের নবগঠিত কমিটিকে ফুলেল শুভেচ্ছা আলাউদ্দিন জিহাদীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন ফতুল্লা মানব কল্যাণ সংস্থার কার্যালয়ের উদ্বোধন ওসমান পরিবারের হাত শক্তিশালী করাই আমার উদ্দেশ্য : হিমেল আদর্শিক রাজনীতি আজ বিলুপ্ত প্রায়! প্রবাসীদের বাস্তব জীবনের গল্প ‘অবদান’ ফতুল্লায় স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রস্তুতিমূলক সভা সামাজিক সংগঠন ‘ধলেশ্বরীর তীরে’র বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালন

নদী-খালগুলোর দখল দূষণ বন্ধ হচ্ছে না

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৩২৬ বার পঠিত
নদী-খালগুলোর দখল দূষণ বন্ধ হচ্ছে না

নারায়ণগঞ্জের কাগজ : নদীকে জীবন্তসত্তা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ রাজধানী এবং এর আশপাশের নদী-খালগুলোর দখল দূষণ বন্ধ হচ্ছে না। দখল দূষণের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে কিছু অভিযান এবং সামান্য জেলজরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে সবকিছু। অথচ পরিবেশ সচেতনতার এই যুগে নদী-খালের দখল দূষণ বন্ধ এবং যথাযথভাবে তা রক্ষা করা সময়ের দাবি।

ডাইং বর্জ্য তুরাগ নদীতে ফেলে দূষণের অভিযোগে এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু দূষণ বন্ধ হয়নি। এসব বর্জ্যর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিকর প্লাস্টিক, পলিথিন, রাসায়নিক সামগ্রী, জৈব, অজৈব ও গৃহস্থালী বর্জ্য। শুধু তাই নয় সাভার অঞ্চলের শিল্পকারখানার রাসায়নিক বর্জ্যও ফেলা হচ্ছে নদী-খালে। গাজীপুরের অবস্থাও একই। সেখানকার জমিজমা পর্যন্ত চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে শিল্পবর্জ্যর দূষণে। এ অবস্থায় এতদঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগব্যাধি। শিল্প-কারখানা এবং প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মেনে চলে সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নদী-খাল দখল দূষণ দেশে নতুন কোন ঘটনা নয়। ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে যে যেভাবে পারে এই দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সব শেয়ালের এক রা। প্রশাসনও এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় নির্বিকার ভূমিকা পালন করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে দখলদাররা এতটা প্রভাবশালী থাকে যে তারা, আইন প্রশাসন সবকিছুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়। অথচ নদ-নদীর টিকে থাকার সঙ্গে বলা যায় বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক অস্তিত্বের সম্পর্ক জড়িত। কাজেই যে কোন মূল্যে নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

ইতোপূর্বে ঢাকার চারপাশের নদী বাঁচানোর জন্য হাইকোর্টকে পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। কিন্তু দখল বন্ধ হচ্ছে না। একদিকে উচ্ছেদ অভিযান চলে অন্যদিকে নতুন করে দখল হয়। এই সাপলুডু খেলায় শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় দখলকারীরাই। অথচ নদী দখল বন্ধ করতে না পারলে এর পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। পরিবেশ সচেতনতার এ যুগে নদীর অপমৃত্যু হবে আর সকলে চেয়ে চেয়ে দেখবে এটা হতে পারে না। দখলকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ছাড়া নদী দখল বন্ধ করা যাবে না। নদী দখলে একটি দুষ্টচক্র অত্যন্ত ক্রিয়াশীল। এ চক্র ভাঙতে হবে। প্রশাসনের কোন গাফিলতি থাকলে সে ব্যাপারেও ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা নদীমাতৃক বাংলাদেশকে তার আপন মহিমায় দেখতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!