1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১, ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লা রেলস্টেশনে ছাত্রলীগ নেতা বাবুর নেতৃত্বে অবৈধ মেলা উচ্ছেদ কথিত ছাত্রলীগ নেতা শুভ বেপরোয়া! সাংবাদিক সমাজ জাতির বিবেক : ফরিদ আহম্মেদ লিটন ফতুল্লায় কিশোর গ্যাং লিডার ডিব্বা রনি গ্রেফতার টাঙ্গাইলেও এসআই কামরুল হাসানের ১ম স্থান অর্জন পুলিশ সাংবাদিক মিলে কাজ করলে অপরাধ থাকবে না : ইমরান সিদ্দিকী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলীর সুস্থতা কামনায় ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের দোয়া ফতুল্লায় হেরোইনসহ গ্রেফতার ১ ফতুল্লায় মাদক ব্যবসায়ী নাসির ও আলামিন বেপরোয়া প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ সদর উপজেলা ইউএনও’র সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের মতবিনিময় সভা নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় সমবায়ীদের ভ্রাম্যমাণ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ফতুল্লায় অপহৃত কিশোরী উদ্ধার, আটক ১ ফতুল্লায় হেরোইনসহ আটক ২ ফতুল্লায় দুই ছিনতাইকারীকে গনপিটুনি

নদী-খালগুলোর দখল দূষণ বন্ধ হচ্ছে না

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৭০৩ বার পঠিত
নদী-খালগুলোর দখল দূষণ বন্ধ হচ্ছে না

নারায়ণগঞ্জের কাগজ : নদীকে জীবন্তসত্তা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ রাজধানী এবং এর আশপাশের নদী-খালগুলোর দখল দূষণ বন্ধ হচ্ছে না। দখল দূষণের বিরুদ্ধে মাঝেমধ্যে কিছু অভিযান এবং সামান্য জেলজরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে সবকিছু। অথচ পরিবেশ সচেতনতার এই যুগে নদী-খালের দখল দূষণ বন্ধ এবং যথাযথভাবে তা রক্ষা করা সময়ের দাবি।

ডাইং বর্জ্য তুরাগ নদীতে ফেলে দূষণের অভিযোগে এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে। কিন্তু দূষণ বন্ধ হয়নি। এসব বর্জ্যর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিকর প্লাস্টিক, পলিথিন, রাসায়নিক সামগ্রী, জৈব, অজৈব ও গৃহস্থালী বর্জ্য। শুধু তাই নয় সাভার অঞ্চলের শিল্পকারখানার রাসায়নিক বর্জ্যও ফেলা হচ্ছে নদী-খালে। গাজীপুরের অবস্থাও একই। সেখানকার জমিজমা পর্যন্ত চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে শিল্পবর্জ্যর দূষণে। এ অবস্থায় এতদঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে নানা রোগব্যাধি। শিল্প-কারখানা এবং প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মেনে চলে সে ব্যাপারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নদী-খাল দখল দূষণ দেশে নতুন কোন ঘটনা নয়। ‘জোর যার মুল্লুক তার’ নীতিতে যে যেভাবে পারে এই দখলদারিত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সব শেয়ালের এক রা। প্রশাসনও এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় নির্বিকার ভূমিকা পালন করে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে দখলদাররা এতটা প্রভাবশালী থাকে যে তারা, আইন প্রশাসন সবকিছুকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখায়। অথচ নদ-নদীর টিকে থাকার সঙ্গে বলা যায় বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক অস্তিত্বের সম্পর্ক জড়িত। কাজেই যে কোন মূল্যে নদীগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে।

ইতোপূর্বে ঢাকার চারপাশের নদী বাঁচানোর জন্য হাইকোর্টকে পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয়েছে। কিন্তু দখল বন্ধ হচ্ছে না। একদিকে উচ্ছেদ অভিযান চলে অন্যদিকে নতুন করে দখল হয়। এই সাপলুডু খেলায় শেষ পর্যন্ত জয়ী হয় দখলকারীরাই। অথচ নদী দখল বন্ধ করতে না পারলে এর পরিণতি হবে অত্যন্ত ভয়াবহ। পরিবেশ সচেতনতার এ যুগে নদীর অপমৃত্যু হবে আর সকলে চেয়ে চেয়ে দেখবে এটা হতে পারে না। দখলকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ছাড়া নদী দখল বন্ধ করা যাবে না। নদী দখলে একটি দুষ্টচক্র অত্যন্ত ক্রিয়াশীল। এ চক্র ভাঙতে হবে। প্রশাসনের কোন গাফিলতি থাকলে সে ব্যাপারেও ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা সুজলা-সুফলা, শস্য-শ্যামলা নদীমাতৃক বাংলাদেশকে তার আপন মহিমায় দেখতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!