1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ১২:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নববধূকে বটি দিয়ে হত্যা করেছিল স্বামী, ২ বছর পর স্বীকারোক্তি সোনারগাঁয়ে ইউএনওর ওপর হামলার চেষ্টা বিএনপি সম্প্রীতির রাজনীতি করে : খোরশেদ ফ্রান্স আরেকটি ক্রুসেড যুদ্ধ চায় : মানববন্ধনে পীর সাহেব জৌনপুরী ডিসি-এসপি ও ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদকের সাথে জিম ওনার্স নেতাদের সাক্ষাত বন্দরে নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর গৃহবধূর রক্তমাখা লাশ উদ্ধার স্টিল মিলে বিস্ফোরণ : দুই ব্যবস্থাপকসহ ৪ কর্মকর্তা গ্রেফতার রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বিস্ফোরণ, দগ্ধ আরো ৩ জনের মৃত্যু ফতুল্লায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ, গ্রেফতার ধর্ষক পলাশকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন জাহাজ নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা শ্রমিকনেতা পলাশের পিতার ২২তম মৃত্যবার্ষিকী আজ হিন্দু কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে পূজা উপলক্ষে বস্ত্র দান ফতুল্লার বাড়ৈভোগ পূজামন্ডপ পরিদর্শনে এএসপি মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী নারায়ণগঞ্জে যত্রতত্র কিশোর গ্যাং বন্দরে ভাড়াটিয়াকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩

নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে কমেনি পেঁয়াজের ঝাঁজ, সবজির বাজারও চড়া

মোঃ মনির হোসেন
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৯৪ বার পঠিত
নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে কমেনি পেঁয়াজের ঝাঁজ, সবজির বাজারও চড়া

সারাদেশের মত নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে ও পেঁয়াজের বাজার এখনো চড়া। পাশাপাশি মাছ-মাংস, সবজিসহ প্রায় সব নিত্যপণ্যের দামও বাড়-বাড়ন্ত। বেড়েছে চালের দামও। নিত্যপণ্যের এমন দামে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

গত ১৪ সেপ্টেম্বর ভারত হঠাৎ রপ্তানি বন্ধ করে দিলে অস্থির হয়ে পড়ে দেশের পেঁয়াজের বাজার। দাম বাড়তে থাকে লাফিয়ে লাফিয়ে। ৩৫ টাকার পেঁয়াজের দাম হঠাৎ তিনগুণ বেড়ে ১১০ টাকায় গিয়েছিল। সরকারের পদক্ষেপের ফলে দাম কিছুটা কমে ১০০ টাকার নিচে নামলেও দ্বিগুণের চেয়ে অনেক বেশি দামেই বিক্রি হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জের ডিগুবাবুর বাজারে দেশি ভালো মানের ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৭০ টাকা দরে। আর দেশী পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা করে।

সহসা পেঁয়াজের দাম কমবে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না খুচরা ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি, পাইকারি বাজারে দাম না কমলে তাদের কিছুই করার নেই।

পেঁয়াজের এমন পরিস্থিতির পাশাপাশি সব সবজিও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। গত বুধবার নারায়ণগঞ্জের কালির বাজার, ফতুল্লা বাজার, নিতাইগঞ্জসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। প্রতিটি বাজারে শীতের সবজি বাঁধাকপি, ফুলকপি ও শিম অল্প পরিমাণে দেখা মিললে ও এসব সবজির দাম বেশ চড়া।

কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতের আগাম সবজিসহ প্রায় সব সব ধরনের সবজির দামই বাড়তির দিকে। প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে। এছাড়া শশা ৮০ টাকা, ঢেঁড়শ ৬০ টাকা, শিম ১৬০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, ঝিঙ্গা ৬০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, কাকরোল ৬০ টাকা, কাঁচা টমেটো ৬০ টাকা, পুঁইশাকের কেজি ৪০ টাকা, পালন শাক ৪০ টাকা, লাল শাক ৫০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এছাড়া আলু ৪০ টাকা, রসুন ৭০ টাকা, আদা ১২০ টাকা, মুসুর ডাল (দেশি) ১২০ টাকা ও মুসুর ডাল ক্যাঙ্গারু ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে পাকিস্তানি মুরগি ২৫০ টাকা কেজি, বয়লার মুরগি ১২০ টাকা, গরুর মাংস ৬০০ টাকা, ডিম হালি ৪০ টাকা, পোয়া মাছ ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, রিঠা মাছ ১৪০ টাকা, তেলা পিয়া ১১০ থেকে ১৩০ টাকা, পাঙ্গাস ১০০ টাকা, কৈ মাছ ১১০ থেকে ১২০ টাকা, ইলিশ (দেড় কেজি ওজনের) কেজি ৯০০ টাকা, এক কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা, রুই মাছ ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে চালের বাজারও বাড়তির দিকে। গত এক সপ্তাহে সব ধরনের চালের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ২শ’ থেকে ৩শ’ টাকা। প্রতি কেজি মিনিকেট ৫৮ টাকা থেকে বেড়ে ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকা। মাঝারি মানের চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৪ টাকা কেজি দরে।

যদিও মিনিকেট চালের প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) মূল্য ২ হাজার ৫৭৫ টাকা। মাঝারি চাল ৫০ কেজির বস্তার মূল্য ২ হাজার ২৫০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।

নিত্যপণ্যের দামের এই ঊর্ধগতির কারণে সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন খেটে খাওয়া মানুষ। করোনার কারণে তাদের আয় কমে গেলেও ব্যয় কমছে না কিছুতেই। উল্টো নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়ায় তারা নিদারুন কষ্টে দিন পার করছেন। এমন পরিস্থিতিতে বাজার মনিটরিং করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন অনেকে।

বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন জামিল মিয়া। বাজার করতে ডিগুবাবুর বাজারে যান তিনি। সেখানে কথা হয় তার সঙ্গে। জামিল মিয়া বলেন, বাজারে সব পণ্যের দামই প্রতিদিন বাড়ছে। নানা অজুহাতে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ায়। কিন্তু আমাদের তো আয় বাড়ে না। সরকারের উচিত বাজার মনিটরিং জোরদার করা। এমনিতেই করোনায় আমাদের অবস্থা ভয়াবহ। তার মধ্যে নিত্যপণ্যের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে না খেয়ে মরতে হবে।

ডিগুবাবুর বাজারের সবজি বিক্রেতা রফিকুল বলেন, বন্যার কারণে ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সবজির সরবরাহ কম। এ কারণে কয়েক সপ্তাহ ধরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। তবে আগের সপ্তাহের চেয়ে এখন সবজি বেশি আসছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমছে না। তাছাড়া শীতের আগাম সবজি সব সময় একটু বেশি দামেই বিক্রি হয়। কয়েকদিন পর পুরোদমে শীতের সবজি বাজারে আসবে তখন দাম কমে যাবে।

অন্যদিকে ব্যবসায়ীরা বরাবারের মতেই বলছেন, তারা বেশি দামে পণ্য কিনতে বাধ্য হচ্ছেন। তাই বিক্রিও করতে হচ্ছে বেশি দামে।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!