1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বন্দরে নিখোঁজের ১৭ ঘণ্টা পর গৃহবধূর রক্তমাখা লাশ উদ্ধার স্টিল মিলে বিস্ফোরণ : দুই ব্যবস্থাপকসহ ৪ কর্মকর্তা গ্রেফতার রূপগঞ্জে স্টিল মিলে বিস্ফোরণ, দগ্ধ আরো ৩ জনের মৃত্যু ফতুল্লায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ, গ্রেফতার ধর্ষক পলাশকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানালেন জাহাজ নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা শ্রমিকনেতা পলাশের পিতার ২২তম মৃত্যবার্ষিকী আজ হিন্দু কল্যাণ সংস্থার উদ্যোগে পূজা উপলক্ষে বস্ত্র দান ফতুল্লার বাড়ৈভোগ পূজামন্ডপ পরিদর্শনে এএসপি মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী নারায়ণগঞ্জে যত্রতত্র কিশোর গ্যাং বন্দরে ভাড়াটিয়াকে পিটিয়ে হত্যা, আটক ৩ নতুন প্রজন্মের জন্য নারায়ণগঞ্জকে আমরা সুন্দর করে গড়তে চাই : সেলিম ওসমান চেঞ্জ ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন ১৬৯ টাকায় করোনা ভ্যাকসিন ভারতে! চন্ডীতত্ত্ব ও দুর্গাপূজা সোনারগাঁয়ে জাতীয় পার্টি নেতাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা

নারায়ণগঞ্জে রাজনীতি অঙ্গনে নীরবতা!

মোঃ মনির হোসেন
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০
  • ১১৫ বার পঠিত
নারায়ণগঞ্জে রাজনীতি অঙ্গনে নীরবতা!

বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রাম ও দেশের সামগ্রিক অবস্থার সঙ্গে রাজধানীর পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের রাজনীতি সবসময় থাকে চাঙ্গা। অতীত ইতিহাস তাই বলে, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপিসহ অন্য রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কর্মসূচি কেন্দ্রিক সক্রিয়তা এ জেলাকে সবসময় রাজনীতির মাঠে আলোচনায় রাখতো। কিন্তু এখন আর আগের অবস্থা নেই। দীর্ঘদিন ধরেই নীরব রয়েছে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গন।

নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে এতটা নীরবতা আগে তেমন একটা দেখা যায়নি। বিএনপির দলীয় প্রধান কারাগার থেকে মুক্তি পাবার পরও সক্রিয় নয় বিএনপি কিংবা দলটির কোনো অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন। তবে বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস ও মাতৃভাষা দিবসের মতো জাতীয় দিবসগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঠে দেখা মেলে ফটো সেশনের মধ্যে।

রাজনীতির মাঠে একেবারেই ঝিমিয়ে পড়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও মহানগর বিএনপি। জেলা বিএনপির সবচেয়ে সক্রিয় ও রাজপথের নেতা হিসেবে খ্যাত অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার বলয়টিও সর্বশেষ জেলা বিএনপির কমিটির পরে ধীরে ধীরে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এ ছাড়া জেলা বিএনপি, মহানগর বিএনপি ও ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দলসহ দলের সব অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন প্রায় মাঠছাড়া। কর্মসূচি পালন তো দূরের কথা কেন্দ্রীয় কর্মসূচিগুলোতেও মাঠে দেখা যায় না দলের কাউকে। কিছু নেতা কর্মসূচির ডাক আসলে নারায়ণগঞ্জ তিতাস গ্যাসের অফিসের গলিতে ছবি তুলে তা দিয়ে কর্মসূচি সফল বলে দাবি করেন। এছাড়া জনদাবি কিংবা অন্য কোনো ইস্যুতে মাঠে নেই দলটি।

বিএনপি ছাড়া জেলার অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও একেবারেই ঝিমিয়ে পড়েছে। জাতীয় পার্টি তো সরকারের সঙ্গেই আছে, বাম দলগুলো নেই মাঠে। ইসলামী দলগুলোর ও আগের মতো সক্রিয় নয়। সামাজিক ও জেলাভিত্তিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, জাসদ, ন্যাপ রাজপথে সরব থাকলেও এখন ধীরে ধীরে সেটি একেবারেই কমে যাচ্ছে বললেই চলে।

নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ স্থানীয় এক নেতা বলেন, বিরোধী দলের সরব হতেতো ইস্যুর প্রয়োজন। দেশের মানুষ সুখে আছে, পেট ভরে খেতে পারছে, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো, অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো দেশের। তাহলে কী নিয়ে সরব থাকবে? আওয়ামী লীগের রাজনীতি তো সরব রয়েছে, বিরোধী দলের জায়গায় নেই। তারা রাজপথে নামতে পারেনি। মানুষকে তাদের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারেনি। মানুষ তাদের প্রত্যাখ্যান করে বলেই তারা নীরবতার পথ বেছে নিয়েছে।

বিএনপির এক সিনিয়র নেতা (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, রাজনীতি এখন চলে গেছে হাইব্রিড, টাকাওয়ালা ও তোষামোদকারীদের হাতে। রাজনীতিবিদদের হাতে রাজনীতি থাকলে আজ এ অবস্থা হতো না। আর এ অবস্থার জন্য দলের কেন্দ্রীয় নেতারা দায়ী, নারায়ণগঞ্জের নেতৃত্ব নয়। যাদের মাথায় রাজনীতি আছে, কর্মে রাজনীতি আছে ও ব্যাকগ্রাউন্ডে রাজনীতি আছে তাদের হাত থেকে রাজনীতি কেড়ে নিয়ে বেচাকেনার রাজনীতি করে আজকে রাজনীতিকে এ পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়েছে। আর এখন এটি পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। রাজনীতির মোকাবিলা রাজনীতি দিয়ে করতে হয়। কিন্তু রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে গিয়ে তো রাজনীতি করা যায় না। তাদের হাতে মামলা ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা থাকায় যাকে তাকে ধরে মামলা দিয়ে দিতে পারে। রাজনীতিতে যখন রাজনৈতিক দল প্রতিপক্ষ না থেকে রাষ্ট্রীয় বাহিনী প্রতিপক্ষ হয় তখন আর রাজনীতির মাঠে কেউ সরব থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। তবে, এটি একদিন বুমেরাং হয়ে ফিরে আসতে পারে।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলার এক নেতা জানান, আমরা নীরব নই। আমরা ৩০ ডিসেম্বর বিনা ভোটের সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছি জেলায় জেলায়। আমাদের শক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের কর্মসূচিতে তেমন মানুষ হয় না বলে হয়তো মনে হতে পারে আমরা রাজপথে নেই। তবে এটিও সঠিক যে, নীরবতার কারণ শক্তিশালী বিরোধী দল বিএনপিসহ বিভিন্ন দল মাঠে নামে না এত ইস্যু থাকতেও। আর নামলেই ফটোসেশন করে। সেদিক থেকে ভাবলে এটাকে নীরবতা বলা চলে।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!