1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
কুতুবপুর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ডের মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন ইউনুস মিয়া আমি জনগনের সেবক হতে চাই : নাজমা বেগম বুড়িগঙ্গা নদীতে পড়ে মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজ ফতুল্লায় ইজিবাইক চালককে গলা কেটে হত্যা কুতুবপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ডের মনোনয়ন পত্র দাখিল করলেন খোকন মাষ্টার কুতুবপুর ৯নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে মেম্বার পদপ্রার্থী ইউনুস মাষ্টার মনোনয়নপত্র জমা দিলেন আলাউদ্দিন হাওলাদার ফতুল্লা স্টেডিয়ামের জলাবদ্ধতা দূর করার উদ্যোগ আমি নৌকার মাঝি এবং আমার দল আওয়ামী লীগ : সেন্টু ফতুল্লায় বাড়িওয়ালার হামলায় ভাড়াটিয়া আহত শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফতুল্লা থানা মটর শ্রমিক লীগের আনন্দ র‍্যালী ফতুল্লায় শ্রমিক লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শ্রমিক নেতা পলাশের নির্দেশে আনন্দ র‍্যালী শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জবাসীকে শরীফুল হকের পক্ষে সঞ্জয়ের শুভেচ্ছা আবার সভাপতি হলেন সেলিম ওসমান রূপগঞ্জে হৃদয় হত্যাকান্ড : মুল আসামী আশিকসহ গ্রেফতার ২

নারায়ণগঞ্জ শহর যুবলীগের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু!

মোঃ মনির হোসেন
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১১ নভেম্বর, ২০২০
  • ৫৪৩ বার পঠিত
নারায়ণগঞ্জ শহর যুবলীগের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু!

মোঃ মনির হোসেন : নারায়ণগঞ্জ শহরের উত্তর ও দক্ষিণ মেরু! রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, আদর্শগত মিল থাকলেও তাদের মধ্যে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছে উত্তর-দক্ষিণ মেরু। যে বাধা টপকানোর সাহস নেই কারো, বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় দুই মেরুর নেতারা এক সঙ্গে সভা-সমাবেশ করতেন। মিছিলে থাকতেন পাশাপাশি। তবে এখন এই দুই মেরুর নেতাদের এক সাথে দেখা পাওয়া খুবই দুস্কর। দলীয় কর্মসূচী পালন করেন আলাদা ভাবে। বিশেষ করে শহর যুবলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তবে এটা নতুন কিছু নয় অতীতেও এই বিভাজন ছিল তখনকার দুই মেরুর দুই নেতা একেএম সামসুজ্জোহা ও আলী আহম্মদ চুনকার মাঝে।

২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের সময়ে শহরে আওয়ামী লীগের পুরনো সেই উত্তর ও দক্ষিন পন্থী নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। এক পক্ষ শামীম ওসমান এর পক্ষে যান অপর পক্ষ যায় ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর দিকে।

চার দলীয় জোট সরকারের আমলে শহর যুবলীগের নেতৃত্বে মিছিল মিটিং হতো। দলের কর্মসূচী হতো একসঙ্গে। আওয়ামীলীগের স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে এ কমিটির গ্রহনযোগ্যতা ছিলো বেশ। শহরে দলীয় সমাবেশে সবচেয়ে বেশী লোক জড়ো করতো যুবলীগ। এমনকি তখনকার পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচীতেও বাস ভরে যুব লীগের নেতাকর্মীরা যোগ দিতো।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শীর্ষ পর্যায়ের নেতা জানান, নারায়ণগঞ্জের একজন প্রভাবশালী এমপি যতদিন প্রবাসে ছিলেন ততদিন একতা বজায় ছিলো। তিনি দেশে আসার পর ফের শহরের উত্তর-দক্ষিণ মেরুর বিবাদ চরমে উঠে।

এ দ্বন্দ্বে দূরত্ব তৈরী হয় শহর যুবলীগের দুই শীর্ষ নেতার। এখন তারা দলীয় কর্মসূচী পালন করলেও কারও সাথে কারও দেখা হয় না। এক প্রোগ্রাম একজন সকালে করলে অপরজন করেন বিকেলে। এদিকে এ দ্বন্দ্বের কারনে শহর যুব লীগ মহানগরে রূপ নিতে পারেনি বলে জানা গেছে।

রাজনীতি সচেতন মহলের মতে, ওই সময়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগের সবচেয়ে শক্তিশালী সংগঠন ছিলো শহর যুবলীগ। এদিকে দীর্ঘদিন সম্মেলন না হওয়ায় ক্ষোভ জন্মেছে মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে। অনেকের মতে, নতুন কমিটি না হওয়ায় অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে যুবলীগ। নতুন নেতৃৃত্বও তৈরী হচ্ছে না।

সূত্র জানায়, শামীম ওসমান এমপি অনেক আগে কেন্দ্রে একটি কমিটির তালিকা জমা দিয়েছেন। অপরদিকে সাধারণ সম্পাদক উজ্জলও একটি কমিটি জমা দিয়েছেন। দুই পক্ষের দুই কমিটি নিয়ে কিছুটা বিব্রত কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। আর এ কারণেই এ কমিটি গঠন আটকে গেছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!