পঞ্চবটি বিদ্যুৎ অফিসে চলছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি!
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
পঞ্চবটি বিদ্যুৎ অফিসে চলছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি!
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ১০:০৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মৃত্যুর পর ঋণ নিয়ছেন ১৪ জন ফতুল্লায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রূপগঞ্জে ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে জখম বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন নারায়ণগঞ্জ দলকে সংবর্ধনা নারায়ণগঞ্জে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট ধলেশ্বরী নদী থেকে ইটবাঁধা মরদেহ উদ্ধার ফতুল্লায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আল-আমিন গ্রেফতার ফতুল্লায় দূর্জয়-সিফাত বাহিনীর ৬ সদস্য গ্রেপ্তার সাইবার নিরাপত্তা আইন মত প্রকাশের অন্তরায় : টিআইবি এখন গরিবেরা তিনবেলা ভাত খায় আর ধনীরা খায় আটা : খাদ্যমন্ত্রী সামেদ আলী আমার শেল্টারে ছিলো না : শওকত আলী সোনারগাঁয়ের যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন চিন্তায় মোদি আট মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে ঢাকায় : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে ওটিতে প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর

পঞ্চবটি বিদ্যুৎ অফিসে চলছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি!

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২ জুন, ২০২৪
  • ১৩৭ বার পঠিত
পঞ্চবটি বিদ্যুৎ অফিসে চলছে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি!

নারায়ণগঞ্জের পঞ্চবটি এলাকায় বিদ্যুৎ অফিসে চলছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মহাউৎসব। ফতুল্লার পঞ্চবটি, এনওসিএস, শীতলক্ষ্যায় ঢাকা পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড-এর সহকারী প্রকৌশলী গোলাম মোরশেদের নেতৃত্বে অপকর্ম চলছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযোগে প্রকাশ, বিদ্যুৎ গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করার বদলে জিম্মি করে রাতারাতি আয় করছে লক্ষ লক্ষ টাকা। গোলাম মোরশেদের টেবিলে নতুন গ্রাহকদের ফাইল প্রতি গুনতে হয় টাকা। বকেয়া বিদ্যুৎ বিল গ্রাহকদের লাইন কাটার ভয় দেখিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা।

জানাযায়, অফিসের নিয়ম অনুযায়ী কিলো প্রতি সরকারি মূল্য ১২০০/-টাকা ধার্য্য করা থাকলেও অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ গ্রাহকদের নিকট হতে সরকারি ধার্য্যকৃত মূল্যের অতিরিক্ত ১৮০০/-টাকা নিচ্ছে।

এছাড়াও আরো জানা যায়, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ আবেদন করলে অফিসের কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ প্রতিটি ফাইল করতে অতিরিক্ত ৩০০০/-টাকা প্যাকেজ করা হয়েছে যা গ্রাহকদের পকেট থেকে অধিক আদায় করে নিচ্ছে। এবং মাঠ পর্যায়ে কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ বিভিন্ন বাসা বাড়ীতে গিয়ে মিটার চেক করার নাম করে মিটারের বিভিন্ন ক্রুটি দেখিয়ে জরিমানা করার ভয়-ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবী করে বলে জানান ভুক্তভোগী গ্রাহকরা। সকল কিছুর হোতা সহকারী প্রকৌশলী গোলাম মোরশেদ।

যদি কোন গ্রাহক উক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাজানো নাটকে প্রতারনার স্বীকার হয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ খোয়ায়। আবার কোন গ্রাহক যদি তাদের সাজানো ঘটনা বুঝতে পেরে যায়, তবে তাদের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া যায়।

গোলাম মোরশেদ গড়ে তুলেছেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইতিমধ্যে নাছিমা বেগম নামে এক গ্রাহকের মিটার পরিদর্শনের নামে হাতিয়ে নেয় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। যার গ্রাহক নং- ৩৬১৩৬২৩৫। ৩৬১৪২১৭৪ ও ৩৬১৪২১৮৯ নং গ্রাহকের কাছ থেকে লাইন কেটে নাটক সাজিয়ে নিয়েছেন দেড় লাখ টাকা। এছাড়াও ১৪৩১০৮৮৯ ও ১৪৩১৪৪২১ নং গ্রাহক মাসুদ গাজী এবং সাইফুল ইসলাম এর কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় গোলাম মোরশেদ। তাঁর সকল অপকর্মের সহযোগী হিসেবে ভুমিকা রাখছে তাঁর পিয়ন।

অন্যদিকে মিটাররিডার ম্যান নিয়োগে সীমাহীন দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে অফিস কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কাছে জানতে চাইলে কোন সদউত্তর দিতে পারেন নাই।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..