1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লা ইউনিয়নে উম্মে তাহেরা আঁখি’র বক মার্কা নিয়ে ভোট প্রার্থনা বক মার্কায় ভোট চাইলেন মহিলা মেম্বার প্রার্থী উম্মে তাহেরা আঁখি পানির পাম্প মার্কায় ভোট চেয়েছেন ৪নং ওয়ার্ড মেম্বারপ্রার্থী মঈনউদ্দিন মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান কাজী মঈনউদ্দিন ফতুল্লায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, আহত ৫ ফতুল্লায় মৎসজীবী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‌্যালী খেলাধুলা মানুষের মন ও শরীরকে দৃঢ় করে : লিটন ফতুল্লার সেই কিশোরের আত্মহননের ঘটনায় মামলা খালেদার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে ডিসিকে জেলা বিএনপির স্মারকলিপি বিএনপির নেতাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিবেন না : সেন্টু সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া ইউপি নির্বাচন কার স্বার্থে হচ্ছেনা? কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার পরিষদের কমিটিতে নারায়ণগঞ্জের ৪ ‘ফাস্ট টাইম মেশিন চালাইলাম’ ফতুল্লায় সেই কিশোরের আত্মহত্যা কাজী মঈনউদ্দিনের প্রথম উঠান বৈঠকে মানুষের ঢল সাংবাদিক লিংকনের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা

ফতুল্লায় মিশুক চালককে গলাকেটে হত্যা, গ্রেফতার ২

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : সোমবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ১৬৭ বার পঠিত
ফতুল্লায় মিশুক চালককে গলাকেটে হত্যা, গ্রেফতার ২

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় নয়াবাজার মুসলিমনগর এলাকায় বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গলাকেটে মিশুক চালক সুজন ফকির (৪৫) কে হত্যার ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। নাটোরের বাগাতিপাড়া থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন- হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মো. আব্দুল মজিদ (৩৭) এবং হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী তার ভাতিজা মো. মজজেম হোসেন (২৮)। সোমবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীতে র‌্যাব-১১’র সদর দফতরে প্রেস ব্রিফিং করে এ তথ্য জানান কোম্পানী অধিনায়ক লে. কর্নেল তানভীর মাহমুদ পাশা।

র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক তানভীর পাশা বলেন, ১৬ অক্টোবর মিশুক চালক সুজন ফকিরের (৪৫) গলাকাটা ও রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সজিব ফকির বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

তিনি আরও বলেন, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী আব্দুল মজিদের স্ত্রীর সঙ্গে নিহত সুজন ফকিরের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। এর কারণে সমসাময়িককালে মজিদ ও তার স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ৫ অক্টোবর আব্দুল মজিদের স্ত্রী কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির পর স্ত্রীকে না পেয়ে আব্দুল মজিদের সন্দেহ হয় তার স্ত্রী সুজন ফকিরের হেফাজতে আছে। তখন থেকেই তিনি তার ভাতিজা মজজেম হোসেনকে নিয়ে সুজন ফকিরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। মজজেম তার খালাতো ভাই মো. হাসানকে (২২) সঙ্গে নিয়ে আসে।

তানভীর পাশা বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগের রাতে মজজেম ও হাসান নারায়ণগঞ্জে আসে এবং আব্দুল মজিদের পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা ঘটনার দিন সকালে সুজন ফকিরের এলাকায় যান। মজিদ মোবাইল ফোনে সুজনকে ভাতিজা মজজেমের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। সুজন দেখা করতে গেলে তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান মজজেম। হত্যাকাণ্ডে অংশগ্রহণকারী হাসান গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপন করে। তাকে গ্রেফতারে র‌্যাব-১১ এর অভিযান অব্যাহত আছে। গ্রেফতারদের সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!