ফতুল্লা থানায় সালিশকালে মারামারি, এএসআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
ফতুল্লা থানায় সালিশকালে মারামারি, এএসআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শহরের মাদক ও অপরাধ জগতের নিয়ন্ত্রক ‘ম্যাংগো গং’ অধরা আয়নায় আশাকে নিজের চেহারা দেখতে বললেন মুকুল! লক্ষ্মীনারায়ণ দুর্গা মন্দির উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চায় বিএসপি রুসেন হাউজিংয়ে অবৈধ গ্যাস সংযোগের মহোৎসব! চোরাই তেলের ব্যবসায় কোটিপতি রায়হান গং! বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা মামলার আসামী রাজু গ্রেফতার লক্ষ্মীনারায়ণ কটন মিলস দুর্গা মন্দির দখলমুক্ত করতে ডিসিকে বিএসপির স্মারকলিপি অনুপস্থিত থেকেও হাজিরা দেওয়ায় ক্ষোভ ভূমি প্রতিমন্ত্রীর বিএনপিতে ত্যাগীদের অবমুল্যায়ন আর আখের গোছাচ্ছে সুবিধাবাদীরা! এনসিপি নেতা আমিনুলের ঘনিষ্ঠ ওমরের অস্ত্র হাতে ছবি-ভিডিও, এলাকায় উদ্বেগ ফতুল্লা বাজারে ড্রেন-রাস্তা-শেড সংস্কার ও নির্মাণকাজের উদ্বোধন দ্বিতীয়বার পুরস্কৃত হলেন ডিএসবি ফতুল্লা জোনের হুমায়ুন কবির নারায়ণগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ এসআই নির্বাচিত হলেন নন্দন চন্দ্র সরকার রাজ্জাকের ‘মাদক সাম্রাজ্য’ রক্ষায় পুলিশকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা! ইসদাইরে মাদক নিয়ন্ত্রণে রাজ্জাক বাহিনী, বাড়ছে অপরাধ

ফতুল্লা থানায় সালিশকালে মারামারি, এএসআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬
ফতুল্লা থানায় সালিশকালে মারামারি, এএসআইয়ের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা মডেল থানায় স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে থানার অভ্যন্তরে সালিশ বৈঠক পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোঃ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। যদিও অভিযুক্ত এএসআই সালিশ করার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তবে তারই দেওয়া আরেকটি বক্তব্য নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) একটি পারিবারিক অভিযোগের ভিত্তিতে ফতুল্লা মডেল থানার এএসআই শফিকুল ইসলাম উভয় পক্ষকে থানায় ডেকে আনেন। এ সময় স্বামী-স্ত্রীর উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। পরে উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার পরও প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে থানার ক্যান্টিন-সংলগ্ন একটি নিরিবিলি স্থানে উভয় পক্ষকে নিয়ে সমঝোতা বা সালিশের মতো কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, পারিবারিক বিরোধের বিচার বা সালিশ করা পুলিশের আইনগতভাবে দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। ফলে থানার অভ্যন্তরে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ আইনগত ও প্রশাসনিকভাবে প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, পুলিশ অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তবে বিচার বা সালিশ পরিচালনা করা তাদের দায়িত্ব বা আইনগত ক্ষমতার আওতায় পড়ে না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম বলেন, “আমি কোনো ধরনের সালিশ বৈঠক করিনি। তাদের শুধু জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডাকা হয়েছিল।”

তবে একই আলাপচারিতায় অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আজ সারাদিন মোটরসাইকেলে ঘুরেছি। আবার তিন পক্ষের বিচার-সালিশ করে মাথা জ্যাম হয়ে আছে। কিছু মনে করবেন না।” তার এই বক্তব্যকে ঘিরেই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলম বলেন, “থানার কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিচার বা সালিশ করার আইনি এখতিয়ার নেই।”

নারায়ণগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক) সার্কেল শামীম মোর্শেদ বলেন, “ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী থানার কোনো কর্মকর্তা কোনো ধরনের বিচার বা সালিশ পরিচালনা করতে পারেন না। এটি আইনগতভাবে বৈধ নয়। তাছাড়া এ ধরনের সালিশ চলাকালে উভয় পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত এবং আইন অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।”

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..