1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লায় স্কুলের সীমানা প্রাচীর ধসে আহত ৩ মামা-ভাগ্নির হুমকিতে ঘরছাড়া মামলার বাদী ষড়যন্ত্রকারীরা জনস্রোতের কাছে নিষ্ক্রিয় : টিপু বাসায় এসে তৈমুরকে মিষ্টি খাওয়ালেন আইভী সোনারগাঁয়ে পুলিশের গাড়ি খাদে, দুই এসআই নিহত আইভীর বাসার সামনে নেতাকর্মীদের বিজয় উল্লাস নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে আইভীর হ্যাটট্রিক জয় স্ত্রী ও শ্বশুরের প্রতারণার ফাঁদে স্বামী না’গঞ্জ রেলস্টেশনে ভয়ংকর খুনির মিউজিক ভিডিও হয়েছিল সাবেক মেম্বার নবু হোসেনের ছেলে মনির হোসেন গ্রেফতার নগরীতে আইভীর পক্ষে শ্রমিকলীগের বিশাল নির্বাচনী গনসংযোগ মেয়র আইভীর পক্ষে ফতুল্লা থানা শ্রমিকলীগের নির্বাচনী প্রচারনা নারায়ণগঞ্জবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন কাজী আরিফ নারায়ণগঞ্জবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন শাহ্ আলম নতুন বছরে নারায়ণগঞ্জবাসীকে মীর সোহেল আলীর পক্ষে মাসুমের শুভেচ্ছা

সদর থানার সাবেক ওসি কামরুল কারাগারে

নারায়ণগঞ্জের কাগজ
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯৮৭ বার পঠিত
সদর থানার সাবেক ওসি কামরুল কারাগারে

৪৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার সাবেক ওসি কামরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। গত ২২ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আত্মসমর্পন করে স্থায়ী জামিন আবেদন করেন কামরুল ইসলাম। পরে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। এরআগে তিনি উচ্চ আদালত থেকে অস্থায়ী জামিন নিয়েছিলেন। আগামী ১ নভেম্বর তার জামিন শুনানী হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাওসার আলমের আদালত জামিন নামঞ্জুর করে আদালতে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন। ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সদর থানার সাবেক ওসি কামরুল ইসলাম বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে আছেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৭ মার্চ নারায়ণগঞ্জের বন্দরের রুপালি আবাসিক এলাকা থেকে সদর মডেল থানার এএসআই সরওয়ার্দী ও মাদকবহনকারী সাবিনা আক্তার রুনুকে ৪৯ হাজার পিস ইয়াবা ও নগদ ৫ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামি পুলিশের এএসআই আলম সরওয়ার্দী আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে বলেন, রুনুকে ইয়াবাসহ আটকের পর ওসি কামরুল ইসলামকে আমি ফোন করি। উনি আমাকে নিরাপদ স্থানে যেতে বলেন। এরপর ঘাটের কাছেই বাসা হওয়ায় আমি আসামিসহ আমার বাসায় চলে যাই। পরে ওসি আলামত (৪৯ হাজার পিস ইয়াবা) ও ৫ লাখ টাকা রেখে রুনুসহ দুজনকে এসআই মোর্শেদের কাছে দিতে বলে। মোর্শেদ আসামি রুনুকে নিয়ে বাসার নিচে যাওয়ার পর আমাকে ফোন দিয়ে অপর আসামিকে ছেড়ে দিতে বলে। আসামি ছেড়ে দেওয়ার আগে আমি আলামত ও টাকা রেখে দেই। ওই আলামত থেকে ৫ হাজার পিস ইয়াবা এনে ওসির নির্দেশমতো রাস্তা থেকে জনি নামে একজনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসি। রাতে ডিবি অভিযান চালিয়ে আলামত ও টাকা জব্দ করে।

কনস্টেবল মোঃ আসাদুজ্জামান জবানবন্দিতে বলেন, সরওয়ার্দীর বাসায় গিয়ে দেখি রুনু ও আ. রহমানকে দেখতে পাই। সে দুজনকে ইয়াবাসহ ধরেছে। মাদকগুলো থানায় না এনে বাসায় আনার কারণ জিজ্ঞাসা করলে সরওয়ার্দী বলেন, ওসি কামরুল স্যার আমাকে আসামিসহ মাদকগুলো বাসায় রাখতে বলেছে।

পুলিশের দুজন সদস্যের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ওসি কামরুলের নাম আসার পরেও তাকে বাদ দিয়ে গত আগস্ট মাসে ১২ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজিম উদ্দিন আল আজাদ।

মামলার চার্জশিটভুক্ত আসামী কনস্টেবল আসাদুজ্জামানের জামিন আবেদন পর্যালোচনাকালে বিষয়টি হাইকোর্টের দৃষ্টিতে আসে। এরপরই তদন্ত কর্মকর্তাকে তলব এবং এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। হাইকোর্টে দেওয়া ব্যাখ্যায় তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, দুজনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ছাড়া পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ না পাওয়ায় ওসিকে আসামী করা হয়নি।

আইওর ওই ব্যাখ্যা আইনগতভাবে কতটা সঠিক সে বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও এস এম শাহজাহানের মতামত গ্রহণ করেন হাইকোর্ট। তারা আদালতে অভিমত দিয়ে বলেন, তদন্ত কর্মকর্তার প্রধান কাজ মামলার তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ এবং সংরক্ষণ করা। তার কোনো ক্ষমতাই নেই মামলার তথ্য ও সাক্ষ্য-প্রমাণের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নে সিদ্ধান্ত দেওয়ার। ফলে তদন্ত কর্মকর্তা ওসিকে আসামি না করার ব্যাপারে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন সেটা আইনগতভাবে সঠিক নয়।

এই মামলায় ওসি কামরুলের নাম আসায় আদালতের নির্দেশে গত বছরের বছরের ৪ মার্চ সদর থানা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। পরে তাকে মামলার চার্জশিট থেকে অব্যাহতি দেয়া হলে ২ এপ্রিল আবারও সদর থানায় তাকে পুনর্বহাল করা হয়। তিনি পরে ডিবি ও অন্যত্র বদলী হন।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!