সাব্বির হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ : সাক্ষী মানেনা জাকির খান আসামী!
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
সাব্বির হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ : সাক্ষী মানেনা জাকির খান আসামী!
সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪, ১০:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মৃত্যুর পর ঋণ নিয়ছেন ১৪ জন ফতুল্লায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রূপগঞ্জে ছাত্রলীগ কর্মীকে কুপিয়ে জখম বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপে চ্যাম্পিয়ন নারায়ণগঞ্জ দলকে সংবর্ধনা নারায়ণগঞ্জে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট ধলেশ্বরী নদী থেকে ইটবাঁধা মরদেহ উদ্ধার ফতুল্লায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী আল-আমিন গ্রেফতার ফতুল্লায় দূর্জয়-সিফাত বাহিনীর ৬ সদস্য গ্রেপ্তার সাইবার নিরাপত্তা আইন মত প্রকাশের অন্তরায় : টিআইবি এখন গরিবেরা তিনবেলা ভাত খায় আর ধনীরা খায় আটা : খাদ্যমন্ত্রী সামেদ আলী আমার শেল্টারে ছিলো না : শওকত আলী সোনারগাঁয়ের যাত্রীবাহী বাসে হঠাৎ আগুন চিন্তায় মোদি আট মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে ঢাকায় : ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী রূপগঞ্জে ওটিতে প্রসূতির মৃত্যু, ক্লিনিক ভাঙচুর

সাব্বির হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ : সাক্ষী মানেনা জাকির খান আসামী!

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪
  • ৪৩ বার পঠিত
সাব্বির হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ : সাক্ষী মানেনা জাকির খান আসামী!

আলোচিত ব্যবসায়ী সাব্বির আলম খন্দকার হত্যা মামলায় জাকির খানের বিরুদ্ধে আদালতে এক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ মে) দুপুর দেড়টার দিকে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (প্রথম আদালত) উম্মে সারবান তাহুরার আদালতে এ সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন আদালতে মামলার ৬ষ্ঠ সাক্ষী হাবিব উদ্দিন তার সাক্ষ্য প্রদান করেন। এসময় সাক্ষীকে আসামী পক্ষের আইনজীবীরা জেরা করেন। প্রায় ঘন্টা খানেক সময় ধরে চলে সাক্ষীকে জেরা ও সাক্ষ্য গ্রহণ।

এ বিষয়ে আসামী পক্ষের আইনজীবী রবিউল হোসেন বলেন, আজ সাব্বির হত্যা মামলায় সাক্ষগ্রহণের দিন ধার্য্য ছিলো। আজ হাবিব উদ্দিন নামে একজন সাক্ষী আদালতে তার সাক্ষ্যগ্রহন প্রদান করেছে। এ মামলার মোট সাক্ষী হলো ৫২ জন। এর মধ্যে তিনি ৬নং সাক্ষী। তিনি (সাক্ষী) প্রত্যক্ষদর্শী ও ঘটনার সময় উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেন। তিনি আসামী জাকির খানের নাম বলেননি। আততায়ীরা মারছে (সাব্বির আলমকে হত্যা করেছে), তাদের তিনি চেনেন নাই। জাকির খান যে আসামী, সেটা তিনি নিজেই মানেন না। সাক্ষী নিজেই বলেছেন, আমি জাকির খানকে আসামী হিসেবে মানিনা। জাকির খানের বিরুদ্ধে তিনি তেমন কোন অভিযোগ বলতে পারেননি এবং উপস্থাপিত হয়নি। এখন বুঝেন মামলাটির কি অবস্থা?

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আসামী পক্ষের আইনজীবী আরও বলেন, আজ আমরা আসামীর জামিন আবেদন করিনি। এ মামলার পরবর্তী তারিখ ২৪ জুন। ভবিষ্যতে যে ফলাফল হবে, সেটা আদালতের উপর নির্ভর করবে। আরও সাক্ষী আছে, আমরা তাদেরও জেরা করবো। তখন আরও ফলাফল জানতে পারবো।

প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী আততায়ীদের গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী নেতা সাব্বির আলম খন্দকার। এ হত্যাকান্ডের পর তার বড় ভাই তৈমূর আলম বাদি হয়ে ১৭ জনকে আসামী করে ফতল্লা থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর মোট ৯ জন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তিতে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) স্থানান্তর করা হয়।

সিআইডির এএসপি মসিহউদ্দিন দশম তদন্তকারী কর্মকর্তা দীর্ঘ প্রায় ৩৪ মাস তদন্ত শেষে তিনি ২০০৬ সালের ৮ জানুয়ারী আদালতে ৮ জনকে আসামী করে চার্জশীট দাখিল করেন। এতে মামলা থেকে গিয়াসউদ্দিন, তার শ্যালক জুয়েল, শাহীনকে অব্যাহতি দিয়ে সাবেক ছাত্রদল সভাপতি জাকির খান, তার দুই ভাই জিকু খান ও মামুন খানসহ মোট ৮ জনকে আসামী উল্লেখ করা হয়।

মামলার প্রধান আসামী গিয়াস উদ্দিনকে মামলা থেকে বাদ দেয়ায় মামলার বাদী তৈমূর আলম খন্দকার সিআইডির দেয়া চার্জশীটের বিরুদ্ধে ২০০৬ সালের ২৪ জানুয়ারী আদালতে নারাজি পিটিশন দাখিল করেন।

নারাজি পিটিশনে তৈমুর আলম বলেন, গিয়াসউদ্দিনই সাব্বির আলম হত্যাকান্ডের মূল নায়ক। গিয়াসউদ্দিন ও তার সহযোগীদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা একটি গোঁজামিলের চার্জশীট দাখিল করেছেন। পরবর্তীতে আদালত মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..