1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লা ইউনিয়নে উম্মে তাহেরা আঁখি’র বক মার্কা নিয়ে ভোট প্রার্থনা বক মার্কায় ভোট চাইলেন মহিলা মেম্বার প্রার্থী উম্মে তাহেরা আঁখি পানির পাম্প মার্কায় ভোট চেয়েছেন ৪নং ওয়ার্ড মেম্বারপ্রার্থী মঈনউদ্দিন মানুষের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান কাজী মঈনউদ্দিন ফতুল্লায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, আহত ৫ ফতুল্লায় মৎসজীবী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে আনন্দ র‌্যালী খেলাধুলা মানুষের মন ও শরীরকে দৃঢ় করে : লিটন ফতুল্লার সেই কিশোরের আত্মহননের ঘটনায় মামলা খালেদার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে ডিসিকে জেলা বিএনপির স্মারকলিপি বিএনপির নেতাদের ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিবেন না : সেন্টু সোনারগাঁয়ের মোগড়াপাড়া ইউপি নির্বাচন কার স্বার্থে হচ্ছেনা? কেন্দ্রীয় ছাত্র অধিকার পরিষদের কমিটিতে নারায়ণগঞ্জের ৪ ‘ফাস্ট টাইম মেশিন চালাইলাম’ ফতুল্লায় সেই কিশোরের আত্মহত্যা কাজী মঈনউদ্দিনের প্রথম উঠান বৈঠকে মানুষের ঢল সাংবাদিক লিংকনের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা

সালাম-বাবুলকে বিতর্কিত করছে মামুন

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬৬ বার পঠিত
সালাম-বাবুলকে বিতর্কিত করছে মামুন

নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও রুপগঞ্জ থানা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।

তথ্য মতে, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান ও সাবেক সহ- সভাপতি শিল্পপতি শাহ আলমের নিকট থেকে ৬০ লাখ টাকা উৎকোচ নিয়ে তাদের পছন্দসই বিতর্কিতদের নাম তালিকাভুক্ত করে কেন্দ্রীয় বিএনপির শির্ষ পর্যায়ে উপস্থাপন করেছেন বা জমা দিয়েছেন। শুধু তাই নয় বিএনপির নেতা- কর্মীদের উপর গুলি চালানো সেই অস্ত্রবাজ পান্না মোল্লার নিকট থেকে নয়াপল্টনস্থ একটি অফিস উপহারস্বরুপ হিসেবে গ্রহন করে ফতুল্লা থানার সদস্য সচিব হিসেবে তার নাম প্রস্তাব করে কেন্দ্রে জমা দিয়েছেন। এ সকল বিষয়গুলো ধীরে ধীরে তৃণমূল নেতাকর্মী থেকে সর্ব মহলে ছড়িয়ে পরেছে। বিষয়টি নিয়ে জেলা বিএনপির ভাবমূর্তি এখন প্রশ্নবিদ্ধ। একই সাথে এ নিয়ে জেলার বিএনপির সকল পর্যায়ের নেতা কর্মীরা আজ বিব্রত।

অর্থ বানিজ্যের মাধ্যমে কমিটি গঠনকল্পের বিষয়ে এবং পল্টনস্থ অফিস নেওয়ার প্রসঙ্গে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন সকল বিষয়েই দ্ধায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগীয় টিমের আব্দুল সালাম ও শহিদুল ইসলাম বাবুল অবগত রয়েছেন। নয়াপল্টনস্থ অফিসের বিষয়টি তিনি সরাসরি স্বীকার না করলেও পাশকাটিয়ে তিনি বলেন,” একজন বিচারপতি তার এজলাস বা আদালত ছাড়াও যেখানে বসে এজলাস বা আদালত ঘোষনা করেন সেখানেই বিচার কার্য শুরু করেন বা করতে পারেন।” যেহেতু ঢাকাতে তার কোন অফিস নেই তাই তিনি পরিচিত যে কারো অফিসে বসেই দলীয় কাজ করতে পারেন।

দলীয় একাধিক সূত্র মতে, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির গঠনকল্পে অর্থ বানিজ্যের মতো জেলা যুবদলের সভাপতি থাকাকালীন সময়ে ও মামুন মাহমুদের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন নিয়ে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ উঠেছিলো।ফলে তৎকালীন সময়ে অর্থ বানিজ্যের অভিযোগ এনে কেন্দ্র থেকে জেলা যুবদলের (মামুন- রিপন) কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়েছিলো।

অপর একটি সূত্র মতে, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি গঠনের পূর্বে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক নাসিরের অনুাসারী দুজনকে কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার নাম করে দুই লাখ টাকা উৎকোচ হিসেবে নাসিরের নিকট থেকে মামুন মাহমুদ গ্রহন করেছিলো। টাকা নেওয়ার পরেও তাদেরকে কমিটিতে অন্তভূক্ত না করায় এই বিষয়ে নাসির জেলা বিএনপির একাধিক নেতার নিকট বিষয়টি জানিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।এরকম আরে বহু সংখ্যক অর্থ বানিজ্যের সাথে মামুন মাহমুদ জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!