কাজী সালাউদ্দিনের হাতেই দেশের ফুটবল
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
কাজী সালাউদ্দিনের হাতেই দেশের ফুটবল
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লায় ফের বেপরোয়া ছাত্রলীগ কর্মী শুভ ও শিমুল পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র লুট মামলার আসামী মানিক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় বিএনপি নেতা পরিচয়ে মাজারুলের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বাণিজ্যের অভিযোগ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফতুল্লায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মিঠু খান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন রাশেদ বাবু পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মিজানুর রহমান মিজান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন ফেরদৌস পারভেজ ডেনী পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনিরুল ইসলাম সরকার পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল খালেক টিপু পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মহসীন বেপারী পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুর রশিদ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউসার-উল-আলম পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন শাহিন আহমেদ নিলয়

কাজী সালাউদ্দিনের হাতেই দেশের ফুটবল

নারায়ণগঞ্জের কাগজ
  • প্রকাশিত সময় : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২০
কাজী সালাউদ্দিনের হাতেই দেশের ফুটবল

এক পক্ষের আশা নীরব ভোট বিপ্লবের, দেশের ফুটবল নেতৃত্বে পরিবর্তনের; অন্যদিকে কাজী সালাউদ্দিনের প্রত্যাশা টানা চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি হওয়ার। নির্বাচনে সভাপতি পদে কাজী সালাউদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাফুফের প্রাক্তন সহ-সভাপতি ও সাবেক ফুটবলার বাদল রায়। অসুস্থতার কথা বলে প্রথমে সরে দাঁড়ালেও গতকাল রাতে আবার নিজের প্রার্থিতার দাবি জানিয়েছেন বাদল রায়। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সভাপতি পদে আরও দাঁড়িয়েছিলেন সাবেক ফুটবলার ও কোচ শফিকুল ইসলাম (মানিক)। শেষ পর্যন্ত টানা চতুর্থবারের মতো সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কাজী সালাউদ্দিন। আজ বাফুফে নির্বাচনে ৯৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়ে আরও চার বছরের জন্য দেশের ফুটবলের অভিভাবক বনেছেন কাজী সালাউদ্দিন।

চতুর্থ মেয়াদে সভাপতি হওয়ার পথে সালাউদ্দিন ভোট পেয়েছেন ৯৪টি। তাঁর অন্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বী বাদল ৪০ ও শফিকুল পেয়েছেন একটি। নির্বাচনে মোট ভোট ছিল ১৩৯টি। এর মধ্যে জেলা ও বিভাগের ভোট ছিল ৭২টি। মোট ১৩৯ ভোটের মধ্যে ভোট পড়েছে ১৩৫টি। সালাউদ্দিনের সম্মিলিত পরিষদ থেকেই জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন সালাম মুর্শেদী। একই প্যানেল থেকে এসেছে তিনজন সহসভাপতিও।

২০১৬ সালের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছিলেন সালাম মুর্শেদী। জাতীয় দলের সাবেক তারকা এই স্ট্রাইকারকে এবার ভোটের লড়াইয়ে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন সমন্বয় পরিষদের আরেক সাবেক তারকা স্ট্রাইকার শেখ মোহাম্মদ আসলাম। মাঠের খেলায় আসলাম সালামের চেয়ে এগিয়ে থাকলেও ভোটের লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন সালাম মুর্শেদী। ৯১ ভোট পেয়ে টানা চতুর্থবারের মতো জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি হয়েছেন তিনি। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ আসলাম পেয়েছেন ৪৪ ভোট।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..