নারায়ণগঞ্জের কাগজ : নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার বক্তাবলী ফেরীঘাটের যাত্রী ছাউনি যাত্রীদের জন্য নির্মিত হলেও সেখানে স্থান হয়না যাত্রীদের। এখনো পর্যন্ত দখলমুক্ত করেনি রহস্যজনক কারণে উপজেলা প্রশাসন। বরং যাত্রী ছাউনি দখল করে দোকান ভাড়া ও অফিস ঘর অব্যাহত রাখা হয়েছে।
একটি সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালে জেলা পরিষদ ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে একতলা বিশিষ্ঠ যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়। পরবর্তীতে বক্তাবলী ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ ৬ লাখ টাকা ব্যয়ে দোতলা নির্মাণ করা হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকাবাসী ও যাত্রীরা জানান, দখলবাজ রশিদ ৪ লাখ টাকা দিয়েছে একটি প্রভাবশালী মহলকে। সেই প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় সরকারীভাবে নির্মিত যাত্রী ছাউনি দখল করে আছে।
যাত্রীদের সুবিধার জন্য যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও তারা রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে একাকার হলেও যাত্রী ছাউনি দখল করে দোকান ভাড়া ও অফিস ঘর বানিয়েছে আব্দুর রশিদ।
এলাকাবাসীর দাবী থানা আওয়ামী লীগের নেতাদের ম্যানেজ করে রশিদ যাত্রী ছাউনি দখল করে আছে। চরনবীনগর এলাকার মাহবুবের নিকট মাসিক ২ হাজার টাকায় নীচতলায় দোকান ভাড়া দিয়েছে। দোতলা দখল করে রশিদ নিজের অফিস বানিয়েছে।
যাত্রীদের ব্যবহার করার জন্য সরকারী অর্থে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হলেও রশিদ আওয়ামী লীগের নেতাদের ম্যানেজ করে পুরোটা দখল করে নেয়ায় সর্বত্র তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অবৈধভাবে দখল মুক্ত করে যাত্রী ছাউনি যাত্রীদের ব্যবহার উপযোগী করতে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ভূক্তভোগী মহল।
এর আগে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিকের দৃষ্টিগোচর করা হলে তিনি সাংবাদিকদের কাছে ৭ দিন সময় চান। ৭ দিনের জায়গায় প্রায় ২ মাস অতিবাহিত হতে চললেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।
এ ব্যাপারে দখলবাজ আব্দুর রশিদ মুঠোফোনে বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে জানেন বলে মোবাইল সংযোগটি কেটে দেন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...