দলিল লেখক মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তাঁর স্ত্রী রাশিদা ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেছেন আল জয়নাল প্লাজার মালিকের কেয়ারটেকার মোঃ নুর ইসলাম। জিডি নং- ১২৩
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, ফতুল্লা থানাধীন দাপা ইদ্রাকপুর মৌজার সি.এস–৬১৭ নং দাগের ৩৯ শতাংশ জমি বিক্রয়ের কথা জানিয়ে দলিল লেখক রফিকুল ইসলাম (৬০), তাঁর স্ত্রী রাশিদা ইসলাম (৫৫) ও শ্বশুর মোঃ সালেক খান (৭০) ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে একটি বায়না দলিল সম্পাদন করেন। বায়না দলিল নম্বর—১২৯৭৫। ওই সময়ে বিবাদীরা মালিক মোঃ জয়নাল আবেদীনের কাছ থেকে দুই কোটি টাকা গ্রহণ করেন।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, দলিল সম্পাদনের পর বিবাদীরা বিভিন্ন অজুহাতে জমির রেজিস্ট্রি না করে বছরের পর বছর কালক্ষেপণ করে আসছেন। মালিক পক্ষ একাধিকবার জমি বা টাকা ফেরত চাইলে তাঁরা তালবাহানা করেন এবং কোনো সমাধানে এগিয়ে আসেননি।
গত বছরের ১৪ আগস্ট মালিক মোঃ জয়নাল আবেদীন ফতুল্লা রেজিস্ট্রি অফিসসংলগ্ন রফিকুল ইসলামের চেম্বারে গেলে বিবাদীরা তাঁকে বায়নাকৃত জমি বা টাকা ফেরত দেবেন না বলে জানান এবং অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করেন। একই সঙ্গে তাঁরা আইনগত ব্যবস্থা নিলে ক্ষতির মুখে পড়তে হবে বলেও হুমকি দেন।
নুর ইসলামের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রতারণার মূল নেপথ্যে ছিলেন দলিল লেখক রফিকুল ইসলাম। অভিযোগে বলা হয়, ২০০৭ সালে তিনি আমমোক্তারনামা তৈরি করে নিজেকে জমির মালিক হিসেবে উপস্থাপন করেন। পরে ২০০৯ সালে তিনি জমিটি নিজের শ্বশুর সালেক খানের কাছে সাফকবলা করেন। এরপর ২০১০ সালে সালেক খান জমিটি হেবা দলিলের মাধ্যমে রফিকের স্ত্রী রাশিদা ইসলামের নামে হস্তান্তর করেন। একই জমি পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ঘুরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে সাধারণ ক্রেতার কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়াই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য।
ঘটনার বিষয়ে থানা পুলিশ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...