নিজস্ব সংবাদদাতা : সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয় দুর্গোৎসবের রঙ ছড়িয়ে দিতে ব্যস্ত সময় পার করছে মৃৎশিল্পের দক্ষ কারিগররা। তাদের হাতের নিপুণ ছোঁয়া আর শেষ মুহূর্তে রঙ তুলির আঁচড়ে প্রাণবন্ত হয়ে উঠতে শুরু করেছে একেকটি প্রতিমা। শৈল্পিক কারুকার্যের অলঙ্কারে ফুটে উঠছে দেবী দুর্গার সৌন্দর্য।
আগামী ৪ অক্টোবর (শুক্রবার) মহা ষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে বৃহৎ এই দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা। এ জন্য প্রতিমা সাজানোতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। যেন দেবী দুর্গার আগমনে দম ফেলবার ফুসরত নেই মৃৎশিল্পীদের।
এদিকে, প্রকৃতির চারপাশজুড়ে মৃদু হাওয়ায় গা ভাসিয়ে দোল খাচ্ছে কাশফুল। কাশবনের উচ্ছলতাই জানিয়ে দিয়েছে দুর্গার আগমনী বার্তা। এ বছর দেবী দুর্গা ঘোটকে আগমন করে ঘোটকেই স্বামীগৃহে গমন করবে।
জানা গেছে, এ বছর নারায়ণগঞ্জ জেলার পাঁচটি উপজেলায় স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে ২০৫টি পূজামণ্ডপ ও মন্দিরে এবার শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এখন মণ্ডপজুড়ে চলছে প্রতিমা স্থাপনসহ সাজসজ্জার কাজ।
মৃৎশিল্পী জগদীশ পাল জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রতিমা তৈরির কাজ একটু বেশি। প্রতিমা দৃষ্টিনন্দন করতে দিনরাত কাজ হচ্ছে। এখন রঙ তুলির আঁচড়ে সাজানো হচ্ছে।
লালপুর (বটতলা) মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক অর্জুন দাস জানান, প্রতিমা নির্মাণ শিল্পীরা রাতভর পরিশ্রম করছেন। চলছে রঙ তুলির আঁচড়ের কাজ।
তিনি আরও জানান, পূজায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মণ্ডপে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি আনসার ও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে পুলিশসহ সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বিনয় রতন দাস, আদিত্য সরকার, সুমিত দাস, প্রদীপ দাস, সুমন ঘোষ, নন্দলাল বসাক, সুনীল ঘোষ, মৃৎশিল্পী প্রদীপ পাল, দিলীপ চন্দ্র পাল প্রমুখ।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...