মোঃ ওয়ারদে রহমান : জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেছেন, নারায়ণগঞ্জ অর্থনীতিতে সমৃদ্ধ অনেক আগে থেকেই। এখানে অনেক ধনী। তবে এই ধনীদের মধ্যেও কেউ কেউ খাস জমি চায়।
৪৮তম জাতীয় সমবায় দিবস উপলক্ষ্যে শনিবার (২ নভেম্বর) জেলা প্রশাসন ও সমবায় বিভাগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এবারের স্লোগান ছিলো ‘বঙ্গবন্ধুর দর্শন-সমবায়ে উন্নয়ন’ তিনি বলেন, আদিম যুগে ভয়ংকর জীবজন্তুর হাত থেকে বাঁচতে মানুষ সমাজবদ্ধ হয়ে বাস করা শুরু করে। ওই সময়ে থেকে একতা আর একতা থেকেই সমবায়ের সূত্র। দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু সমবায়ের গুরুত্ব বুঝেছিলেন। সেই থেকে পথ চলা শুরু হয়ে এখন সমবায় বিভাগ পরিপূর্ণ।
সমবায় সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, ছোট বেলায় মা যেমন ভাতের চাল থেকে প্রতিদিন এক মুঠো চাল রেখে দিতেন। এক সময়ে এ মুঠো চাল অনেক হয়ে যেতো। সমবায়ও তেমন। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় এক সময়ে বড় আকারে রূপ নেয়। অতীতে নারায়ণগঞ্জে সমবায় থেকে নিবন্ধন নিয়ে কিছু সংগঠন জনগনের টাকা মেরে চম্পট দিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার আমলে এসব চলবে না।
জেলা সমবায় অফিসার মোঃ আখিরুল আলম বলেন, ১৯০৪ সালে মহাজনের হাত থেকে কৃষককে বাঁচাতে সমবায় চালু হয়। দেশ স্বাধীনের পর সমবায়ের মাধ্যমে গ্রাম বাংলার উন্নয়নের বিষয়টি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বুঝতে পেরেছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি) রেহেনা আক্তার, জেলা সমবায় ইউনিয়নের সভাপতি মুহাম্মদ আবুল কাশেম, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী ইয়াসিন মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা নাসির উদ্দিন জুলহাস, নারায়ণগঞ্জ সাংবাদিক কল্যাণ সমবায় সমিতির সভাপতি রণজিৎ মোদক, সদর উপজেলা সমবায় অফিসার শেখ নাজমুল আলম, সমবায় সংগঠক আব্দুর রউফ, মাহফুজুর রহমান, আলেয়া বেগম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ১০ জন সেরা সংগঠককে সম্মাননা দেয়া হয়। আলোচনা সভার আগে জেলা প্রশাসন থেকে একটি বর্নাঢ্য র্যালি সড়ক প্র্রদক্ষিণ করে সার্কিট হাউজে গিয়ে শেষ হয়।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...