ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় ব্যবসায়ী শত্রুতার জের ধরে গার্মেন্টস ব্যবসায়ী রানা হোসেনকে প্রাণনাশের হুমকি ও ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেছে। এ ঘটনায় গার্মেন্টস ব্যবসায়ী রানা হোসেন ফতুল্লা মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযুক্তরা হলো- ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকার সেলিম কন্ট্রাকটারের ছেলে মোঃ আলী, আমিনুল ইসলামের ছেলে জিহাদ, হাসান ও আমিনুল ইসলাম।
অভিযোগের বরাত দিয়ে রানা হোসেন জানান, ধর্মগঞ্জ চতলার মাঠ এলাকায় জনৈক নজরুল সাহেবের ৫ম তলা বিল্ডিং এর আন্ডারগ্রাউন্ড হইতে ৩য় তলা পর্যন্ত মাসিক ভাড়ার চুক্তিতে ভাড়া নিয়ে মদিনা নীট গার্ডেন নামীয় ১০০% রপ্তানিমুখি গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে দীর্ঘদিন যাবৎ সুনামের সাথে ব্যবসা পরিচালনা করে আসতেছি। মোঃ আলী আমার প্রতিষ্ঠানে চুক্তি ভিত্তিতে শ্রমিক সরবরাহ করে আসতেছিল। আমার ব্যবসা ভালো চলায় ৪নং বিবাদী ইহাতে ঈর্ষানীত হয়ে আমার গার্মেন্টস ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে আসতেছিল। মোঃ আলী ও জিহাদ বিবাদী যোগসাজসে আমার গার্মেন্টস ব্যবসা ধ্বংস করার জন্য আমিনুল ইসলাম মোঃ আলীর মাধ্যমে সাবকন্ট্রাকে আমার প্রতিষ্ঠান থেকে বেশ কিছু গার্মেন্টস সামগ্রী প্রস্তুত করে নেয়। তারা সকলে কৌশলে আমার প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বায়ারদেরকে আমিনুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানমুখী করার জন্য উক্ত বিবাদীদ্বয় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চেষ্টা চালিয়ে আসতেছিল। আমি বিষয়টি আচ করতে পেরে অনুমান ২/৩ মাস আগে থেকে মোঃ আলীর মাধ্যমে আমার প্রতিষ্ঠানে কোন শ্রমিক নিতে ছিলাম না। গতকাল সোমবার ৩০ মে বিকাল ৫টায় মোঃ আলীর নেতৃত্বে শ্রমিক দিয়ে আমিনুল ইসলাম প্রতিষ্ঠানে গার্মেন্টস সামগ্রী উঠানোর সময় আমার প্রতিষ্ঠানের সিঁড়িতে কাদা লাগিয়ে সৌন্দর্য্য নষ্ট করতে থাকে আমি বাধা নিষেধ করলে মোঃ আলী তার দাবীকৃত ৫ লাখ টাকা না দিলে আমার ব্যবসায় আরো ক্ষতি করবে। আমি মোঃ আলীর দাবীকৃত চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে বিবাদীরা সবাই মিলে আমাকে তেড়ে মারধর করতে আসে এবং বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
এ বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক হুমায়ুন কবির বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...