নারায়ণগঞ্জের কাগজ : ফতুল্লায় অটোরিক্সা চাঁদাবাজদের শিরোমনি আজিজুল হক ওরফে বরিশাইল্লা আজিজুল ও তার বাহিনী আবারও চাঁদাবাজী শুরু করেছে। চাঁদা না দেওয়ার কারণে অটোরিক্সা থেকে জোড় করে সিট খুলে রাখছে আজিজুল ও তার বাহিনী।
বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চালক আব্বাস মিয়ার অটোরিক্সা থেকে জোড় করে সিট নিয়ে যায়। এছাড়াও ফতুল্লার বিভিন্ন স্থানে তার বাহিনী দাড়িয়ে প্রকাশ্যে তাদের নিজস্ব প্লেট না লাগানো ও চাঁদা না দেওয়ার কারণে সিট খুলে রাখে বলে অভিযোগ করেন অটোরিক্সা চালকরা। ৩ ডিসেম্বর ইজিবাইক চালক রাসেল বাদী হয়ে চাঁদাবাজীর অভিযোগে আজিজুলসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে মামলা নং-৭।
এ ঘটনায় পুলিশ আজিজুল, আল-আমিন, নুরুজ্জামানসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। বেশকিছু দিন জেল খেটে জামিনে বের হয়ে আসে আজিজুল।
এর আগে রোববার (৬ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ‘চাঁদামুক্ত সড়ক চাই’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে আজিজুল গংদের চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে মানববন্ধন করে অটোরিক্সা-ইজিবাইকের মালিক ও চালকরা। ফতুল্লা থানার সামনে অটো মালিক শ্রমিক শ্রমজীবি সমবায় লিঃ (রেজি নং- ০০১৪) এ মানববন্ধন করে। মানববন্ধনের পরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা ও ইজিবাইকের সকল মালিকের পক্ষে মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে আজিজুলসহ ১১জনকে বিবাদী করে ফতুল্লা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়।
২০১৮ সালের ৪ জুন পঞ্চবটি মোড়ে প্রকাশ্যে ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক চালকদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির সময় পুলিশ ধাওয়া করে লিটন, আল-আমিন, হাসান হাওলাদার ও রাজুসহ ৪ জনকে আটক করে। এ সময় আজিজুল হকসহ ৩ জন দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ তাদের কাছ থেকে চাঁদা আদায়ের রশিদ ও চাঁদাবাজির দুই হাজার ৪৬০ টাকা জব্দ করেছেন।
তারা ফতুল্লা ও পঞ্চবটির মোড়ে রিকশা, ইজিবাইকসহ বিভিন্ন ধরনের যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে আসছিল এ ঘটনায় পুলিশের এএসআই তারেক আজিজ বাদী হয়ে আজিজুলসহ ৭ জন চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেছিলেন। এদিকে মালিক ও চালকদের দাবি রিকশা ও ইজিবাইকগুলো যেন ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে নেয়া হয়। এতে সরকার রাজস্ব পাবে এবং সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি কমে যাবে। একই সঙ্গে দরিদ্রশ্রেণির মানুষজন সন্ত্রাসীদের হয়রানি থেকে মুক্তি পাবে।
এ বিষয়ে আজিজুলের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটার সর্ম্পকে আমি অবগত না। কারণ আমাদের কোন নেতাকর্মী বর্তমানে কোন চাঁদা তোলে না।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...