ঠাকুরগাঁওয়ে গুচ্ছগ্রামের ৪টি ঘর লন্ডভন্ড করে দিলো কালবৈশাখী ঝড়
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
ঠাকুরগাঁওয়ে গুচ্ছগ্রামের ৪টি ঘর লন্ডভন্ড করে দিলো কালবৈশাখী ঝড়
বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পুলিশকে কুপিয়ে অস্ত্র লুট মামলার আসামী মানিক গ্রেপ্তার ফতুল্লায় বিএনপি নেতা পরিচয়ে মাজারুলের অবৈধ গ্যাস সংযোগ বাণিজ্যের অভিযোগ জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ফতুল্লায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মিঠু খান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন রাশেদ বাবু পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মিজানুর রহমান মিজান পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন ফেরদৌস পারভেজ ডেনী পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মনিরুল ইসলাম সরকার পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুল খালেক টিপু পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরী পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন মহসীন বেপারী পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন আব্দুর রশিদ পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন কাউসার-উল-আলম পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা জানালেন শাহিন আহমেদ নিলয় অবৈধ গ্যাস সংযোগে বাড়িওয়ালা সেলিমের ১২ বছরে ৩২ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে গুচ্ছগ্রামের ৪টি ঘর লন্ডভন্ড করে দিলো কালবৈশাখী ঝড়

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২০
ঠাকুরগাঁওয়ে গুচ্ছগ্রামের ৪টি ঘর লন্ডভন্ড করে দিলো কালবৈশাখী ঝড়

মরার উপর খরার ঘাঁ কাকে বলে তা হারে হারে টের পাচ্ছে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১১ নং মোহম্মদপুর ইউনিয়ন আরাজী পস্তমপুর গুচ্ছগ্রামের ৪টি পরিবারের গরীব মানুষরা। একে তো করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সবার ঘরে অবস্থান তাই কর্মহীন জীবন। সকাল হলে কি খাবো এমন চিন্তা করতে করতে যখন চোখ থেকে ঘুম চলে যায়। তখন হয়তো উপলব্ধি করা যায় দারিদ্রতা কি? তার উপরে প্রকৃতির নিষ্ঠুর আচরণ যেনো চোখের জল আর হতাশাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে তাদের।

গতকাল ১৮ এপ্রিল দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড় যেনো একটু বেশি হানা দিয়েছে ওই আরাজী পস্তমপুর গুচ্ছগ্রামে। যে বট গাছটি সারাদিনের ক্লান্ত দেহকে ছায়া দিয়ে শীতল করতো গুচ্ছগ্রামের মানুষদের, সে বটগাছটিও উপড়ে নিলো কালবৈশাখী ঝড়। তাও আবার গরীব মানুষদের ঘরকে লন্ডভন্ড করে দিয়ে শান্ত হয়েছে কালবৈশাখী।

এ ঘটনায় কোন প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও আহত হয়েছে কয়েকজন। ভাগ্যকে ও প্রকৃতির এমন নিষ্ঠুর আচরণকে মেনে নিতে পারছেনা ওই মানুষগুলো। তাদের বোবা কান্না আর মাথাগোজার আর্তনাদ এখন চোখের কোনে শুধুই নীরবতা। এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত তাদের বাসস্থান হবে আজ কোথায়?

সরেজমিনে গিয়ে দেখা ও জানা যায়, ওই গুচ্ছ গ্রামে মোট ১৬ টি ঘর রয়েছে। কাল বৈশাখী ঝড়ের কারনে তাদের মধ্যে ৪ টি ঘর লন্ড ভন্ড হয়েছে। চারটি ঘরের উপর উপড়ে পড়েছে মস্ত বড় একটি বটগাছ। অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন ওই ঘরগুলোতে থাকা, শিশু বৃদ্ধা সহ প্রায় ১৬ জন মানুষ।

ক্ষতিগ্রস্থ ঘরমালিক মোকসেদ আলী জানান, ঝড়ের সময় আমি ও আমার স্ত্রী জেগে ছিলাম। আমার দুই সন্তান ঘুমিয়ে তখন। প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ার কারনে হঠাৎ আমার ঘরে গাছটি ভেঙ্গে পড়ে। এতে গাছের একটি ডাল আমার চৌকি ভেদ করে ঢুকে যায়। আমি সহ আমার সন্তান রা অল্পের জন্য বেঁচে যায়।

ক্ষতিগ্রস্থ ঘর মালিক এক বৃদ্ধা জানান, আমি সহ আমার ভাতিজা ঘরে ঘুমাচ্ছিলাম। ঝড় শুরু হলে আমরা জাগনা পাই। হঠাৎ গাছটা ভেঙ্গে পড়ে। অনেক বেশি শব্দ হওয়াতে আমার ভাতিজা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। সে সময়ে বিদ্যুৎ না থাকায় আমি কুপি জালিয়ে তাকে নিয়ে কোন মতো ঘর থেকে বের হয়ে চেচামেচি শুরু করি।

ক্ষতিগ্রস্থরা বলছেন, সরকার আমাদের থাকার জন্য ঘর দিয়েছেন। আমাদের ঘর ঝড়ে ভেঙ্গে যাওয়াতে এখন আমাদের থাকার সমস্যা হয়েছে। আমরা সকলে গরীব মানুষ। সরকারের কাছে অনুরোধ যেনো খুব শিঘ্রই আমাদের ঘরগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা করে দেন।

আজ শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ১১নং মোহম্মদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সোহাগ বলেন, কিছুদিন আগে এ গুচ্ছগ্রামটি প্রস্তুত হয়েছে। এখানে মোট ১৬ ঘর রয়েছে। তার মধ্যে গতকাল দিবাগত রাতে কালবৈশাখী ঝড়ে এখানকার একটি বড় বটগাছ উপড়ে পড়ে চারটি ঘর লন্ডভন্ড হয়ে যায়। এই গরীব মানুষগুলোর এখন থাকার জায়গা নেই। আমি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল্লাহ আল মামুন কে বিষয়টি অবগত করেছি। আশা করি খুব দ্রুত একটি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..