বন্দরে মুরগী হত্যাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জের ধরে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গৃহবধূ সামছুন নাহার (৩৫) জখমের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর ভাসুর মনির হোসেন বাদী হয়ে লেডী সন্ত্রাসী র্মোশেদা বেগমসহ ৬ জনের নাম উল্লেখ্য করে বন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। গত রবিবার ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের শুভকরদীস্থ স্বপন মিয়ার বাড়িতে এ সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাটি ঘটে।
এদিকে পুলিশ মামলা দায়েরের ওই রাতে শুভকরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ৫নং এজাহারভূক্ত আসামী জসিম (৩২) ও ৬নং এজাহারভূক্ত আসামী রিয়াদ (২৫)কে আটক করেছে। যার মামলা নং- ১৮(৯)২০।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের শুভকরদী এলাকার মৃত সাহাবুদ্দিন মিয়ার ছেলে মনির হোসেনদের সাথে একই এলাকার প্রতিবেশী গিয়াস উদ্দিন মিয়ার স্ত্রী র্মোশেদা বেগম ও তার ২ ছেলে জসিম ও রিয়াদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে আদালতে বিবাদী র্মোশেদা বেগমদের বিরুদ্ধে মামলা চলমান রয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় গত রবিবার ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে র্মোশেদা বেগমের মুরগীকে বা কারা হত্যা করে বাড়ি সামনে ফেলে রাখে। এ নিয়ে মনির হোসেনের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সামছুননাহার বেগমের সাথে র্মোশেদা বেগমের কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে ওই দিন সন্ধ্যায় র্মোশেদা বেগমের দুই ছেলে জসিম ও রিয়াদ একই এলাকার মৃত রুহুল আমিন মিয়ার ছেলে গিয়াস উদ্দিন, আলিনুর মিয়ার ছেলে রবিন ও তার স্ত্রী সাহিদা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে ১০ আনা ওজনের একটি গলার চেইন ছিনিয়ে নেয়। এলাকাবাসী রক্তাক্ত অবস্থায় গৃহবধুকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতারে প্রেরন করে।
এ ব্যাপারে ভাসুর মনির হোসেন বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করলে মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা শহিদুল আলমসহ সঙ্গীয় ফোর্স ওই রাতে শুভকরদী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার ৫নং আসামী জসিম ও ৬নং আসামী রিয়াদকে আটক করতে সক্ষম হয়। পরে পুলিশ আটককৃতদের সোমবার দুপুরে উক্ত মামলায় আদালতে প্রেরণ করে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...