রমজানে সমন্বিত উদ্যোগে কমেছে যানজট, ফিরেছে স্বস্তি
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
রমজানে সমন্বিত উদ্যোগে কমেছে যানজট, ফিরেছে স্বস্তি
রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের উন্নয়নই বিএনপি নেতা শাহ্ আলমের মূল লক্ষ্য বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার মামলায় ফালান মুদি গ্রেফতার মাসুদের পাশে সর্বশক্তি নিয়ে থাকব : মাওলানা ফেরদাউসুর দেওভোগ এলাকায় রাসেল বাহিনীর দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী ফতুল্লায় তাঁতী দলের দুই নেতার জুয়া খেলার ভিডিও ফাঁস বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দাওয়াতি মাসের কার্যক্রম উদ্বোধন দেওভোগ এলাকায় রাসেল গ্রুপের ত্রাস, সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ দাবি নারায়ণগঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার আবুল কালাম আজাদ খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে শাহ আলমের উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া : সানি বেগম খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মবার্ষিকীতে মহানগর বিএনপির দোয়া খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে জাকির খানের দোয়া নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রস্তুত শাহআলম শহীদদের স্মরণে গোপালনগর পশ্চিমপাড়া একতা সমাজকল্যাণ সংঘের উদ্যোগে দোয়া ফতুল্লায় মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি

রমজানে সমন্বিত উদ্যোগে কমেছে যানজট, ফিরেছে স্বস্তি

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ৫ মার্চ, ২০২৫
রমজানে সমন্বিত উদ্যোগে কমেছে যানজট, ফিরেছে স্বস্তি

রমজান মাসে নারায়ণগঞ্জ শহর যানজটমুক্ত রাখতে শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছে শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি পুলিশ সদস্যরা। পহেলা রমজান থেকে সারাদিন শহরের বিভিন্ন সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। ফলে সড়কে কমেছে যানজট, ফিরেছে স্বস্তি।

প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে শহরে যানজট নিরসনে ভূমিকা রাখার উদ্যোগ নেয় নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস, বিকেএমইএ, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও শিক্ষার্থীরা। যার অধীনে দেড় শতাধিকেরও বেশি স্বেচ্ছাসেবী পহেলা রমজান থেকে শহরে বিভিন্ন পয়েন্ট ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

সোমবার (৩ মার্চ) সরেজমিনে চাঁদমারী, আর্মি মার্কেটে, কলেজ রোড, ডন চেম্বার, দুই নম্বর রেলগেট, মন্ডলপাড়া, খানপুর ঘুরে দেখা যায়, এসব স্থানে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি কাজ করছে শিক্ষার্থী ও কমিউনিটি পুলিশ সদস্যরা। শহরে অদূরে ব্যাটালিচালিত বড় অটোরিকশা প্রবেশে বাধা দিচ্ছে তারা।

বড় আকারের অটোরিকশাগুলো সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবৈধ স্ট্যান্ড গড়ে তুলে, যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করে যানজট তৈরি করে।

অন্যদিকে নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া সড়কের কোথাও গাড়ি থামাতে দিচ্ছে না স্বেচ্ছাসেবীরা। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে না।

রাকিবুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, “যানজট তুলনামূল কমছে। যানজটের কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা একই জায়গায় বসে থাকতে হতো। গত কয়েকদিন ধরে এমনটা হচ্ছে না। কিছুক্ষনের জন্য সিগনালে পড়লেও সেটা মানা যায়। তবে আমরা মতে, শুধু বড় অটোরিকশা চলাচল বন্ধ নয়, যানজটের জন্য শহরের অন্যান্য বিষয়েও প্রশাসনের নজর দেয়া উচিত।”

বড় অটোরিকশার প্রবেশ মূল শহরে বন্ধ থাকায় ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কে আর্মি মার্কেটের সামনে নেমে যান হোসনে আরা।

এ বৃদ্ধা বলেন, “অটোচালক নামিয়ে দিয়ে বললো, এখন আর শহরে অটো যেতে দেয় না, তাই হেঁটে যাচ্ছি। শহর যানজটমুক্ত রাখার জন্য একটু কষ্ট করতে হলেও ভালো। নয়তো ঘন্টার পর ঘন্টা এক জায়গায়ই থাকতে হতো।”

সাইনবোর্ড থেকে যাত্রী নিয়ে আসা অটোচালক মোখলেছুর রহমান বলেন, “মোড়ে যাইতে পাড়ি না, যাত্রীও পাই না, এখন থেকে খালি গাড়ি (অটো) নিয়ে যাইতে হয়।”

বাঁধন পরিবহনের হেল্পার আব্দুল সাত্তার বলেন, “জ্যাম আগের থেকে কমেছে কিন্তু অটো বন্ধ করলেও মিশুকের অভাব নেই। যার জন্য রাস্তায় যানজট আছেই।”

ট্রাফিকের দায়িত্বে থাকা শিক্ষর্থী নাজমুল ইসলাম বলেন, “নারায়ণগঞ্জ শহরের রাস্তায় সবসময় যানজট লেগেই থাকে। রমজানে যেন যাত্রীরা এবং সাধারণ জনগণ স্বস্তিতে চলাচল করতে পারে তাই আমরা স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করছি।”

আরেক শিক্ষার্থী ফারদিন ইসলাম রোহান বলেন, “রমজানে শহরে মানুষের সমাগম বেড়ে যায়, যাতায়াত বৃদ্ধি হয়। যার ফলে যানজটও বাড়ে এবং মানুষের ভোগান্তিও বেশি হয়। এই জন্য আমরা শিক্ষার্থীরা শহরের ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছি, যেন জনভোগান্তি কম হয়।”

নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু বলেন, ‘প্রতিবছরের মত এবারও চেম্বার অব কমার্স শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ করেছে। পুরো রজমান মাস আমাদের ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবী শহরে ট্রফিক নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে। আমরা চাইলেই শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আমরা যদি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বুঝি, যাত্রী যদি যথাস্থানে গাড়ি থামাতে বলি, তাহলে এত সমস্যা হয় না। এছাড়া শহরে অতিরিক্ত অনেক মিশুক চলাচল করে। সিটি কর্পোরেশন মিশুকের লাইসেন্স দেওয়ায় এসব শহরে প্রবেশে বাধা দেওয়া যায় না। লাইসেন্স ছাড়ও অনেক মিশুক শহরে প্রবেশ করে। এসব মিশুক যদি একটি নির্দিষ্ট রঙের হতো তাহলে লাইসেন্স বিহীনগুলোকে বাধা দেয়া যেত। আমি মনে করি, সিটি কর্পোরেশেনের এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত।’

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..