রাজবাড়ীর আলীপুরে দুর্বৃত্তদের হামলায় ১৩ জন আহত হয়েছে। রবিবার সকালে আলীপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের এনায়েতপুর এলাকাবাসীদের উপর দূবৃর্ত্তরা আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হামলা চালায়। এসময় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একদল সন্ত্রাসী দুর্বৃত্তরা এ এলাকার মানুষদের উপর দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এ হামলা চালিয়েছে বলে জানায় এলাকাবাসী।
এসময় আলীপুরেরর এনায়েতপুর গ্রামের মৃত মহির উদ্দিন খান এর ছেলে জিন্না খান মারাত্বক ভাবে যখম হয় তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। একই গ্রামের মৃত ওমবার ফকিরের ছেলে গাজী ফকির বর্তমানে আহত অবস্থায় ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে, আঃ রশিদ শেখের ছেলে আঃ মজিদ শেখ বর্তমানে চিকিৎসা সেবা নিয়ে বাড়িতে রয়েছেন। চিকিৎসাধীন সবাইকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপানো হয়। এতে এই তিন জনের মাথা, হাত সহ বিভিন্ন স্থানে মারাত্বক ভাবে যখম হয়। বর্তমানে ঢাকায় ও ফরিদপুরে ভর্তি দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এলাকাবাসী জানায়, পাশের গ্রামের নুরুল হক ও জাকির দেওয়ান আধিপত্য বিস্তারের নানা ধরনের অপকর্ম করে আসছিলো। এই কারণে এলাকার সাধারণ মানুষ তাদের বিভিন্ন অপকর্মে বাঁধা দেয়। যে কারণে তাদের মাঝে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের ধরে রবিবার তাদের নেতৃত্বে একদল দূর্বৃত্ত সন্ত্রাসী বাহিনী এই এলাকার মানুষের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালায়।
এ হামলায় গুরুতর ১৩ জন আহত হয়। স্থানীয়রা এর সুষ্ঠু তদন্ত করে সন্ত্রাসী এ বাহিনীকে ধরে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান। হামলার ঘটনায় যখম জিন্না খানের স্ত্রী বাদী হয়ে ৭ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরো একাধিক ব্যাক্তির নামে সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার দিন দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সালাউদ্দিন, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুমদার এবং আলীপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ঘটনার পরপরই তিনি আলীপুরের ঘটনা স্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সালাউদ্দিন সহ সেখানে গীয়েছেন।এ ঘটনায় সদও থানায় ৭ জনের নামে যখম হওয়া জিন্নাখানের স্ত্রী মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখনো কোন আসামী ধরা পরেনি। তবে আসামীদের ধরতে পুলিশ প্রশাসন তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...