রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ফয়সাল আলম সিকদার (৩৪) কে সোমবার (২১ অক্টোবর) রাতে যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। সে রূপগঞ্জ উপজেলার পাঁচাইখা গ্রামের মোস্তফা সিকদারের ছেলে। এ সময় একই এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে জিতু মিয়া (২৮) কে গ্রেপ্তার করা হয়। জিতু ভুলতা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি বলে জানা গেছে।
জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, ওয়াজমাহফিলে বাধাঁদানকারী ও জমি দখল থেকে শুরু করে নানান অপরাধে লিপ্ত ছিল ফয়সাল আলম সিকদার। সে থানা ছাত্রলীগের সভাপতির পদ বাগিয়ে নিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। বিশাল বাহিনী দিয়ে রূপগঞ্জে অপরাধ জগৎ নিয়ন্ত্রন করত ফয়সাল সিকদার। মন্ত্রীর আশির্বাদপুষ্ট হয়ে থানা ছাত্রলীগকে সে সন্ত্রাসী বাহিনীতে পরিনত করেছিল। কোরবানীর ঈদে গরুর হাট বসিয়ে ক্রেতা বিক্রেতাদের কাছ থেকে জোরপূর্বক টাকা ছিনিয়ে নিত তার বাহিনী। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ী জোরপূর্বক গরু নিয়ে যেত তার হাটে। তাছাড়া জমি দখল মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রন ছিল তার হাতে। তার বিরুদ্ধে রূপগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বিভিন্ন অভিযোগের ভিত্তিতে শেখ হাসিনা সরকারের শেষ সময়ে এসে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ তাকে রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি পদ থেকে অব্যাহতি দেয়। ৫ আগস্টের পর থেকে ফয়সাল আলম সিকদার ও জিতু মিয়া পলাতক ছিল। সোমবার রাতে উপজেলার পাঁচাইখা এলাকা থেকে র্যাব ও পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার বিকেলে ফয়সাল ও জিতুকে রূপগঞ্জ থানায় সোর্পদ করা হয়েছে।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানান, পলাতক ফয়সাল আলম সিকদার ও জিতু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...