বন্দরে ‘শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের ভয় দেখিয়ে যুবতীকে ধর্ষণ’ এর সাথে জড়িত প্রধান আসামী সিফাত (২৫)কে ফতুল্লা থানার রেলগেইট এলাকা হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১। শনিবার ২রা মার্চ ফতুল্লা থেকে সিফাতকে গ্রেফতার করা হয়। ধর্ষক সিফাত কলাগাছিয়া ইউনিয়নের নরপদী এলাকার নাহিদ মিয়ার ছেলে এবং অপর আসামী হলেন একই এলাকার অয়ন।
র্যাবের এএসপি সনদ বড়–য়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়।
বন্দরে ১৮ বছরের এক যুবতীকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে হাত পা বেঁধে শ্লীলতাহানি পর আপত্তিকর ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরালের ভয় দেখিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নিজে বাদী হয়ে বন্দর থানায় ২ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক আরোও অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জনকে বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করে। যার বন্দর থানার মামলা নং-৩০/৫৯,২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিঃ, ধারা-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০(সংশোধনী/২০০৩) এর ৯(১)/৩০।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ রাত ৮ টায় ভুক্তভোগী নারী ও তার ১৩ বছরের চাচাতো ভাই সিয়াম বন্দর উপজেলার নরপদীস্থ জনৈক হান্নান মিয়ার দোকানের সামনে দিয়ে বাসায় ফেরার পথে সেখানে উৎপেতে থাকা কলাগাছিয়া, ইউনিয়নের নরপর্দী এলাকার নাহিদ মিয়ার ছেলে সিয়াম ওই যুবতীকে পথরোধ করে জোর পূর্বক একটি অজ্ঞাতনামা অটো গাড়িতে করে নরপদী স্কুলের সামনে নিয়ে যায়। পরে সেখানে সিফাত ও অয়নসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৭ জন মিলে ওই নারীকে জোর পূর্বক ভাবে হাত পা বেঁধে পরিধানের জামা কাপড় টানা হেচড়া করে ছিড়ে ফেলে আপত্তিকর ভিডিও ধারন করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে। পরবর্তীতে ভূক্তভোগী নারী গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) সন্ধ্যা ৬টায় ঘারমোড়াস্থ চাচাতো বোনের বাড়িতে দাওয়াতে ওই সময় সিফাত ভূক্তভোগী নারী চাচাত বোনের মোবাইল ফোন করে তাকে নরপদী ব্রিজের সামনে আসতে বলে। ওই সময় ভূক্তভোগী নারী ব্রিজে আসবে না বলে জানালে এ ঘটনায় সিফাত ক্ষিপ্ত হয়ে ধারণকৃত আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল করার ভয় দেখায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী সম্মানের ভয়ে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৭টায় বন্দর থানার কুড়িয়াভিটা ব্রীজের সামনে আসলে ওই সময় সিফাতের সাথে থাকা অয়ন ওই নারীকে কুপ্রস্তাব দেয়। কুপ্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সিফাতসহ অজ্ঞাত নামা ৫/৭ জনের সহায়তায় লম্পট অয়ন ওই নারীকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...