ফতুল্লা সংবাদদাতা : চাঁদাবাজির অভিযোগে পাগলা মেরিএন্ডারসন ঘাটের সন্ত্রাসী ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশের একটি টিম মঙ্গলবার দুপুর ২টা ৩০মিনিটে পাগলা এলাকা তাকে গ্রেফতার করে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবির এসআই মনির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ফজলুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি অভিযোগ রয়েছে। নিউ লনী স্পীড মটর ওয়ার্কস্ এর মালিক মোঃ আক্তার হোসেন নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ করলে নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশ তদন্তে নামে এবং অভিযোগের সত্যতার পরিপ্রেক্ষিতে ফজলুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে ফতুল্লা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এজাহারে আক্তার হোসেন উল্লেখ করেছেন, ফতুল্লার দেলপাড়া নাক কাটার বাড়ী এলাকার ফজলুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, খোকনসহ অজ্ঞাত ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ফজলুর রহমান ও তার সহযোগীরা বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে আমার প্রতিষ্ঠানে এসে আমার কাছে চাঁদা দাবী করে। গত ৬ সেপ্টেম্বর বিকাল অনুমান ৪টা ২০মিনিটে ফজলু ও তার সহযোগীরা এসে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি প্রাণের ভয়ে নগদে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা প্রদান করি। টাকা পাওয়ার পর তারা সন্তুষ্ট না হয়ে আরো চাঁদা দাবী করে। আমি সন্ত্রাসী ফজলু ও তার সহযোগীদের টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা আমাকে ও আমার পরিবারের লোকজনদের বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি হুমকি প্রদান করে। গত ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার সময় ফজলু ও তার সহযোগীরা আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অনধিকার প্রবেশ করে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে। আমি চাঁদার টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে ফজলু ও তার সহযোগীরা আমাকে এলোপাতাড়ী মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে। একপর্যায়ে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন তৈজসপত্র ভাংচুর করে ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে।
উল্লেখ্য, ফজলুর রহমান ও তার সহযোগীরা পাগলা মেরিএন্ডারসন ঘাটে বিভিন্ন সময় সন্ত্রাসী কর্মকা- করিয়া আসছিলো। চোরাই স্পীডবোট দিয়ে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যক্রম করে থাকে। ফজলু পাগলা এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী হাবিব সেডের ক্যাডার ছিল। ২০০৬ সালে হাবিব সেড নিহত হলে ফজলু আত্মগোপনে চলে যায়।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...