নারায়ণগঞ্জের কাগজ : কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন ব্যবসায়ী ফজর আলী। এ মামলায় কুতুববাগ পীরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তিন দিন পর সাংবাদিকদের ডেকে ক্ষমা চান মামলার বাদী ব্যবসায়ী ফজর আলী। তিনি জানান, তিনি বাবার (জাকির শাহ) সাথে মিটমাট করে নিয়েছেন। এমনকি মামলাও তুলে নিবেন বলে জানান।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বন্দরের সমরক্ষেত্র এলাকায় কুতুববাগ দরবারে সাংবাদিকদের ডেকে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় পীর জাকির শাহের পা ধরে ক্ষমাও চান। আমি কোন সাংবাদিকরে বাবার বিরুদ্ধে লিখতে বলি নাই। কিন্তু কীভাবে কী হয়েছে তা আমি জানি না। কিন্তু আগে পরে যা-ই হয়েছে সব বাদ। বাবার সাথে এখন আমার কিছু নাই, ভবিষ্যতে হবেও না। মামলা নিয়ে বাবার সাথে আমার সমাধান হয়ে গেছে। আমি মামলা প্রত্যাহার করে নেবো।
মামলায় আপনি উল্লেখ করেছেন আপনার টাকা আত্মসাতের জন্য আপনার সাথে প্রতারণা করেছেন পীর জাকির শাহ। তাহলে সেটা কী ছিল? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কিছু বলতে চাননি ব্যবসায়ী ফজর আলী। তিনি বলেন, এটা আমি এখানে জবাব দিতে পারবো না। একটা সমস্যা ছিল তা সমাধান হয়ে গেছে। কথা প্যাচাইয়েন না। সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে সব শ্যাষ। আপনারা দোয়া কইরেন। সারা জীবন বাবার পায়ের নিচে ছিলাম, থাকবো।
এ বিষয়ে কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহ্ বলেন, উনি আমার ছেলে, মুরিদ সন্তান। মুরিদ অনেক সময় ভুল করে, ছেলেরাও অনেক সময় ভুল করে।
মামলায় বাদীর পক্ষে সাক্ষী হয়েছেন আসামী জাকির শাহের ভাই সবির আহমেদ জামান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাকির শাহ বলেন, আমার ভাই ব্যবসায়ীক কারণে এর (ফজর আলী) সঙ্গে জড়িত। ব্যবসার স্বার্থেই ওর সঙ্গে থেকে এই মামলাটি করেছেন। আপনারাই তো বোঝেন নইলে ভাই হয়ে কেন সাক্ষী দেবে? কী স্বার্থে দেবে? আপনারাই তো সব বোঝেন।
তিনি আরও বলেন, আমি তো ফকির মানুষ। আল্লাহ চালায় আর চলে এইসব। কিছু লোকে দেয় আর কিছু লোককে সেবা দেই আমি। ওইখান থেকেই কিছু অর্থ আমি ওদের ব্যবসায়ীক কাজে দিয়েছিলাম। কিন্তু ওইটার কিছু অর্থ ফেরত দিছে কিছু দেয় নাই। ওটা আত্মসাতের জন্যই এই মামলা। এখন মাফ চাইছে সুতরাং কিছু বলার আর নাই।া
রাননকুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে আদালতে মামলা করেন ব্যবসায়ী ফজর আলী। এ মামলায় কুতুববাগ পীরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি করা হয়। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তিন দিন পর সাংবাদিকদের ডেকে ক্ষমা চান মামলার বাদী ব্যবসায়ী ফজর আলী। তিনি জানান, তিনি বাবার (জাকির শাহ) সাথে মিটমাট করে নিয়েছেন। এমনকি মামলাও তুলে নিবেন বলে জানান।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বন্দরের সমরক্ষেত্র এলাকায় কুতুববাগ দরবারে সাংবাদিকদের ডেকে তিনি এসব কথা জানান। এ সময় পীর জাকির শাহের পা ধরে ক্ষমাও চান। আমি কোন সাংবাদিকরে বাবার বিরুদ্ধে লিখতে বলি নাই। কিন্তু কীভাবে কী হয়েছে তা আমি জানি না। কিন্তু আগে পরে যা-ই হয়েছে সব বাদ। বাবার সাথে এখন আমার কিছু নাই, ভবিষ্যতে হবেও না। মামলা নিয়ে বাবার সাথে আমার সমাধান হয়ে গেছে। আমি মামলা প্রত্যাহার করে নেবো।
মামলায় আপনি উল্লেখ করেছেন আপনার টাকা আত্মসাতের জন্য আপনার সাথে প্রতারণা করেছেন পীর জাকির শাহ। তাহলে সেটা কী ছিল? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে কিছু বলতে চাননি ব্যবসায়ী ফজর আলী। তিনি বলেন, এটা আমি এখানে জবাব দিতে পারবো না। একটা সমস্যা ছিল তা সমাধান হয়ে গেছে। কথা প্যাচাইয়েন না। সমস্যা সমাধান হয়ে গেছে সব শ্যাষ। আপনারা দোয়া কইরেন। সারা জীবন বাবার পায়ের নিচে ছিলাম, থাকবো।
এ বিষয়ে কুতুববাগ দরবারের পীর জাকির শাহ্ বলেন, উনি আমার ছেলে, মুরিদ সন্তান। মুরিদ অনেক সময় ভুল করে, ছেলেরাও অনেক সময় ভুল করে।
মামলায় বাদীর পক্ষে সাক্ষী হয়েছেন আসামী জাকির শাহের ভাই সবির আহমেদ জামান। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জাকির শাহ বলেন, আমার ভাই ব্যবসায়ীক কারণে এর (ফজর আলী) সঙ্গে জড়িত। ব্যবসার স্বার্থেই ওর সঙ্গে থেকে এই মামলাটি করেছেন। আপনারাই তো বোঝেন নইলে ভাই হয়ে কেন সাক্ষী দেবে? কী স্বার্থে দেবে? আপনারাই তো সব বোঝেন।
তিনি আরও বলেন, আমি তো ফকির মানুষ। আল্লাহ চালায় আর চলে এইসব। কিছু লোকে দেয় আর কিছু লোককে সেবা দেই আমি। ওইখান থেকেই কিছু অর্থ আমি ওদের ব্যবসায়ীক কাজে দিয়েছিলাম। কিন্তু ওইটার কিছু অর্থ ফেরত দিছে কিছু দেয় নাই। ওটা আত্মসাতের জন্যই এই মামলা। এখন মাফ চাইছে সুতরাং কিছু বলার আর নাই।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...