রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের ত্যাগ ও পরিশ্রমের সুফল ভোগ করছে পাংশা উপজেলাবাসী এমনই আলোচনা রয়েছে পাংশার সচেতন মহলের মধ্যে। চাউর রয়েছে যখনই করোনা ভাইরাস নামক ছোয়াছে রোগ নিয়ে বিশ্বের দুই একটি রাষ্ট্র তোলপার, তখনও বাংলাদেশে পরিস্থিতি আমলে নেয়নি সরকার।
তবে পাংশার ইউএনও তখন থেকেই মৌখিকভাবে গণ সচেতনতা শুরু করেন। এর কয়েকদিন পরই বাংলাদেশ সরকার তৎপর হয়ে উঠে। পাংশার মানুষকে নিরাপদে রাখতে উঠে পড়ে লাগে এই ইউএনও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। করোনা মোকাবেলায় শুরু থেকেই সাধারন মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ গ্রহন করেন তিনি। মাইকিং, লিফলেট বিতরন ও বিভিন্ন সভা সেমিনার করেন তিনি।
রাজবাড়ী জেলায় করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হবার পড়েই তিনি পাংশা উপজেলাকে কঠোর নিয়ন্ত্রনে আনেন। পাংশার মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো তদারকি করেন। এছাড়া পাংশার কেন্দ্রীয় বাজারে যাতে লোক সমাগম কম হয় সেই লক্ষে কাঁচাবাজারের স্থান পরিবর্তন করে পাংশা সরকারী জর্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অস্থায়ী বাজারের ব্যাবস্থা করেন। যাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাই কেনাবাটা করতে পারে। সকাল থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন যাতে লোক সমাগম কম হয়। যার ফলশ্রুতিতে পাংশার স্থানীয় কোন বাসিন্দা এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয় নাই।
ইউএনও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামের দূরদর্শিতায় পাংশার সচেতন মহল ফেলছে স্বস্তির নিঃশ্বাস। তিনি সরকারি সহায়তার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে বেদে, জেলে, আদিবাসী, মটর শ্রমিকসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দিয়েছেন নিজ হাতে। প্রকৃত অসহায় মানুষেরা এই সহায়তা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন এবং দোয়া করছেন ইউএনও সাহেবের জন্য।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, সরকার থেকে যে ত্রান এসেছে তা চাহিদার তুলনায় খুবই নগন্য। আমি উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষভাবে প্রকৃত অভাবী লোকদের হাতে পর্যায়ক্রমে ত্রাণ তুলে দিচ্ছি এবং ব্যাক্তিগতভাবে যতটুকু পারছি সহায়তা করছি। সেইসঙ্গে তিনি সমাজের বিত্তবানদের গরীব মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...