প্রো-অ্যাকটিভে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
  1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
প্রো-অ্যাকটিভে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৫:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
আসামীদের নিয়ে ইউএনওকে ফুল, শুরুতেই বিতর্কে পিংকি মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি রিয়াদ মোহাম্মদ চৌধুরীর শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি আব্দুল খালেক টিপুর শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি কাউসার-উল-আলমের শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি আব্দুর রশিদের শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি মহসীন বেপারীর শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি শাহিন আহমেদ নিলয়ের শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি ফেরদৌস পারভেজ ডেনীর শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি মিজানুর রহমানের শুভেচ্ছা মহান মে দিবসে মেহনতি মানুষের প্রতি রাশেদ বাবুর শুভেচ্ছা শব্দদূষণ রোধে হাইড্রোলিক হর্ন উৎপাদন বন্ধ করতে হবে : ডিসি ফতুল্লায় বিএনপি নেতা পরিচয়ে সোহানের জমজমাট মাদক ব্যবসা ষড়যন্ত্রের শিকার প্রবীণ বিএনপি নেতা হাজী দেলোয়ার, ক্ষোভ সিদ্ধিরগঞ্জে গ্রেফতারের পর আলোচনায় সাবেক কাউন্সিলর সিরাজুল মন্ডল আড়াইহাজার উপজেলায় ব্র্যাক ‘শিখা’ প্রকল্পের ওরিয়েন্টেশন সভা অনুষ্ঠিত

প্রো-অ্যাকটিভে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

নারায়ণগঞ্জের কাগজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময় : শুক্রবার, ২৯ মার্চ, ২০২৪
প্রো-অ্যাকটিভে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ

সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ডস্থ প্রো-অ্যাকটিভ মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হসপিটালে ভুল চিকিৎসা রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত্যুর পর লাশ আইসিইউতে নিয়ে বেঁচে আছে বলে আশ্বাস দিয়ে ৫২ হাজার টাকা বিল করার অভিযোগ স্বজনদের। বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সকালে রোগী মারা গেলেও স্বজনদের জানানো হয় বিকেল ৪ টায়। এতে নিহতের স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে হসপিটালে হট্টগোল করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

নিহতের নাম সালমা হোসেন (৪২)। তিনি ফতুল্লার ইজদাইর বাজার এলাকার ফারুক হোসেনের স্ত্রী।

নিহতের বড় বোন হোসনে আরা ইসলাম জানান, পেট ব্যথার কারণে সালমাকে ২৭ মার্চ দুপুরে প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। এর সারা রাত সে ভাল ছিল। আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে। ভোরে তাকে একটি ইনসেকশন দেওয়ার পর অবস্থা খারাপ হয়। তখন তাড়াহুড়া করে তাকে আইসিইউতে নিয়ে যায়। ভাল রোগীকে আইসিইউতে নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে বলা হয় রোগী কোমায় চলে গেছে। আইসিইউতে রাখলে ঠিক হয়ে যাবে। সকাল ৮ টার দিকে বোনের শরীরে হাত দিয়ে দেখি বরফের মত ঠান্ডা। চেহারা কালো হয়ে গেছে। আমার বোন মারা গেছে বলার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায় চিন্তার কোন কারণ নেই রোগী বেঁচে আছেন।

তিনি অভিযোগ করেন, ব্যবস্থাপত্রে যে ডাক্তারের নাম উল্লেখ রয়েছে তিনি রোগীর চিকিৎসা করেননি। চিকিৎসা করেছেন অন্য একজন। যিনি চিকিৎসা করেছেন তিনি ডাক্তার না।

নিহতের ভাই আতাউর রহমান বলেন, বোনের মৃত্যুর খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালে আসি। তখনো আমাদের বলা হয়নি রোগী মারা গেছে। পরে ৯৯৯ নম্বারে ফোন করলে পুলিশ আসার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ স্বীকার করে রোগী মারা গেছে। রোগী সকালে মারা গেলেও মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে দিনভর আইসিইউতে রেখে ৫২ হাজার টাকা বিল করেছে। ব্যবসা করার জন্য তারা ভুল ইনজেকশন দিয়ে রোগীকে মেরে আইসিইউতে নিয়েছে।

হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাশেদুল ইসলাম বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক একে.এম ফেরদৌস রহমানের তত্ত্বাবধানে রোগীর চিকিৎসা চলছিল। সকালেও তিনি রোগী দেখে গেছেন। দুপুর ২ টা ৪৯ মিনিটে ৫ নম্বর আইসিইউতে চিকিৎসাধিন অবস্থা রোগীর মৃত্যু হয়। ডাক্তার ফেরদৌস রহমানের মোবাইল নাম্বার চাইলে তিনি দেননি। তিনি চলে যাওয়ার পর কে চিকিৎসা করেছে জানতে চাইলে তার নাম না বলে জানান নিহতের স্বজনদের সঙ্গে সামাধান হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে কর্তৃপক্ষ ও রোগীর স্বজনদের সঙ্গে কথা বলি। মৃত্যুর কারণ জানতে লাশ ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠাতে চাইলে স্বজনরা রাজি হয়নি। তারা লিখিত অভিযোগও করতে ইচ্ছুক নয়। মৃত্যুর বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই মর্মে নিহতের স্বামী ফারুক হোসেন লিখিত দিয়ে সাড়ে ৫ টার দিকে লাশ নিয়ে গেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..