রাজবাড়ী সরকারী খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা ও কর্মচরীরা দিন রাত জন সাধারনের কল্যানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। অথচ এখানকার কর্মকর্তা কর্মচারীরা করোনা ভাইরাস প্রকোপের হাত থেকে রক্ষায় পাননি কোন পারসোন্যাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট। ঝুঁকি নিয়ে তারা বন্ধের এই দিন গুলোতে খাদ্য গুদাম গুলো খোলা রেখে ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিচ্ছেন জেলাবাসীকে।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ট্রাক সহ বিভিন্ন যানবাহনে খাদ্য সামগ্রী আসে রাজবাড়ীর সরকারী খাদ্য গুদামে। অথচ তাদের করোনা রোধে নেই কোন ধরনের প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট। এতে তাদের মধ্যে করোনা বিস্তারের ঝুকি রয়েছে। আর করোনার এই ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকতে তাদের প্রয়োজন পারসোন্যাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট বা পিপিই।
রাজবাড়ীর সদর উপজেলা, বালিয়াকান্দি, পাংশা ও গোয়ালন্দ সহ এ চারটি সরকারী খাদ্য গুদাম রয়েছে। এই খাদ্য গুদাম থেকে প্রতিদিনই খাদ্য বিভিন্ন স্থানে পাঠাতে হচ্ছে। এবং প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলা থেকে খাদ্য সামগ্রী বিভিন্ন ট্রাকে করে রাজবাড়ীরি বিভিন্ন খাদ্য গুদামে আনা হচ্ছে।
এতে প্রতিদিনই নতুন নতুন মানুষদের সাথে সাক্ষাত হচ্ছে, দেখা ও কথা হয়ে থাকে। একারনে করোনর মত ভয়াবহ ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছেন এ জেলায় কর্মরত জন কর্মকর্তা এবং, কর্মচারী ৫০ জন সহ ও শ্রমিক সহ প্রায় দের শতাধিক নিয়োজিত মানুষ।
রাজবাড়ী সদর উপজেলা খাদ্য পরিদর্শক মোঃ আবুল কালাম আজাদ জানান, তারা করোনার কারণে বন্ধে এই সময়ে কোন ধরনের পারসোন্যাল প্রটেকটিভ ইকুইপমেন্ট না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছেন। এতে তারা করোনা ভাইরাস বিস্তার ও প্রকোপের আশঙ্কা করছেন। অতি জরুরী তাদের করোনা ভাইরাসের ঝুকি রোধে পোষাকের ব্যবস্থা করতে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ সহ সরকারের প্রতি আহব্বান জানান।
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মুন্সি মুজিবুর রহমান বলেন, করোনা এই সময়ে তাদের খাদ্য সামগ্রী বিভিন্ন উপজেলা সহ ইউনিয়ন ও পৌরসভা গুলো পাঠাতে তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাই করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে কাজের চাপে এ নিয়ে ভাবার সময় পাননি। তবে করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে প্রয়োজনীয় পিপিই সামগ্রী তারা
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...