নারায়ণগঞ্জ জেলা মানে শামীম ওসমান আর শামীম ওসমান মানেই নারায়ণগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগ। যার এক গর্জনে কেঁপে উঠে শত্রুরা, এক ডাকে জড়ো হয় লাখো লাখো মানুষ। তাকে দেওয়া হয়েছে ফোনে মৃত্যুর হুমকি। কে দিয়েছে বিএনপির কেউ নাকি অন্য কেউ এনিয়ে চলছে জেলায় আলোচনা।
গতকাল ২০ নভেম্বর ফতুল্লায় আগুন, সন্ত্রাস, জ্বালাও পোড়াও ও নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য একেএম শামীম ওসমানের ডাকা শান্তি মিছিলের পূর্বে সমাবেশে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি জানান তাকে ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।
আগামী ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দ্বাদশ সাংসদ নির্বাচন। নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে নৌকার প্রত্যাশিরা করছে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ। বিএনপি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নির্বাচনী তফসিল বয়কট করে প্রত্যাখ্যান করেছেন।
শামীম ওসমানের ফোনে বলা কথায় অনেকে মনে করছে লন্ডন থেকে তারেক রহমান ফোনে তাকে কি হত্যার হুমকি দিলো নাকি। তারেক রহমানের হুমকি আবার নারায়ণগঞ্জ জেলার বাঘ বলে যাকে অবহিত করা হয় সে ভয় পেয়েছে নাকি তাই শান্তির মিছিল করে ফতুল্লাবাসীকে জানান দিলো।
সমাবেশে শামীম ওসমান বলেন, গতকাল আমাকে ফোনে অপরিচিত নম্বর থেকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে। অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন করে বলে- ‘তোর মৃত্যুর সময় এসে গেছে।’ কাদেরকে ভয় দেখান? আমরা ’৭৫-এর পর যারা রাজনীতিতে এসেছি তারা মৃত্যুকে ভয় করি না।”
এ সময় তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সামনে অনেক আঘাত আসবে, সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। পৃথিবীর সকল রাষ্ট্রকে বলতে চাই, যারা আমাদের হুমকি-ধমকি দেয়, বাংলাদেশ ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে, কারো করুণায় নয়।
এদিকে ফতুল্লাবাসী তথা নারায়ণগঞ্জের মানুষ যাকে এক কথায় চিনেন খেলা হবে ডায়লগে সে আবার কারো ফোনকলে ভয় পেয়ে সরবেন না তো নির্বাচন থেকে। নাকি সেই পূর্বের বোরকা শামীম নামে কি আবার অবহিত হতে যাবে নাকি শামীম ওসমানই নতুন কোন ফোনকল নামক খেলায় নেমেছে।
আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...