1. rakibchowdhury877@gmail.com : Narayanganjer Kagoj : Narayanganjer Kagoj
  2. admin@narayanganjerkagoj.com : nkagojadmin :
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৬:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ফতুল্লা প্রেস ক্লাবের সদস্য সেলিম মুন্সির বাবার মৃত্যু সাংবাদিকের দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর শামসুল হুদার ইন্তেকাল সামাজিক সংগঠন ‌‘আলোকিত মাসদাইর সংসদ’র অনুমোদন উন্নয়নের ক্ষেত্রে কোন দল নেই : আনোয়ার হোসেন ফতুল্লা রিপোর্টার্স ইউনিটির কমিটি গঠন : সভাপতি নুরু, সম্পাদক সোহেল ফতুল্লায় ১৬ জুয়াড়ি গ্রেফতার ফতুল্লায় অগ্নিদগ্ধ বাবা-মেয়ের মৃত্যু, শঙ্কায় মা তরুণীকে খুন করে আপন ভাই, লাশ গুম করে বাবা ফতুল্লায় ৪ চোরাই মোটর সাইকেলসহ গ্রেফতার ৬ বীরপ্রতীক গাজী সেতুর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী খোকার সাহস ও গুরু তারেক জিয়ার জন্মদিন পালন করলো ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দল অয়ন ওসমানের জন্মদিনে ফতুল্লায় ছাত্রলীগ নেতা সৌরভের দোয়ার আয়োজন জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে তারেক রহমানের জন্মদিন পালন আমরা যুব সমাজকে নিয়ে জেলাবাসীর সেবা করতে চাই : সাইফুল ইসলাম

ফ্যাশনের নামে কপালে কলঙ্কের টিপ !

নারায়ণগঞ্জের কাগজ
  • প্রকাশিত সময় : বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২০
  • ৬১২ বার পঠিত
ফ্যাশনের নামে কপালে কলঙ্কের টিপ !

হিন্দু নারীরা কপালে টিপ পরে তাদের ধর্মীয় সংস্কৃতির অংশ হিসেবে। কিন্তু মুসলিম নারীরা? ফ্যাশনের কথা বলে অনেক মুসলিম মা-বোনও কপালে টিপ পরতে ভালোবাসেন। অথচ দীনের সঠিক জ্ঞান না থাকার কারণে তারা হয়তো জানেন না, টিপ একটি বিশেষ ধর্মের পরিচায়ক ও সংস্কৃতির অংশ।

ইসলামের ইতিহাসে এই টিপ পরারও একটি ইতিহাস আছে। নবি হযরত ইবরাহিমকে (আ.) আগুনে পুড়িয়ে মারার জন্য নমরুদ যখন একটি ১৮ মাইলের বিশাল অগ্নিকুণ্ড নির্মাণ করে তখন সেটি এত বড় ও ভয়াবহ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, কোনো মানুষের পক্ষে হযরত ইবরাহিমকে (আ.) সেখানে নিয়ে নিক্ষেপ করা সম্ভব হলো না।

এরপর অত্যাচারী নমরুদের নির্দেশে একটি চরকা বানানো হলো। যার মাধ্যমে হযরত ইবরাহিমকে (আ.) ছুড়ে আগুনে নিক্ষেপ করা যায়। কিন্তু মহান আল্লাহর কুদরতি নির্দেশে রহমতের ফেরেশতাগণ চরকার একপাশে ভর করে থাকায় সেটি ঘুরানো যাচ্ছিল না। তখন শয়তান নমরুদকে কুবুদ্ধি দিল- কিছু নগ্ন মেয়ে (পতিতা) এনে চরকার সামনে বসিয়ে দিতে; কারণ এমন জঘন্য পরিবেশে ফেরেশতাগণ থাকতে পারেন না।

শয়তানের অনুসারী নমরুদ তাই করল। তখন ফেরেশতাগণ চরকা ছেড়ে চলে গেল; আর হযরত ইবরাহিমকে (আ.) আগুনে নিক্ষেপ করা সম্ভব হলো। এই ঘটনার পরবর্তী সময়ে ঐ মেয়েগুলোকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হলো এবং তাদের মাথায় তিলক পরানো হলো। যেটা বর্তমানে আমাদের কাছে টিপ নামে পরিচিত।

যেসব মুসলিম নারী ফ্যাশনের জন্য টিপ পরে তারা হয়তো এই ঘটনা জানেন না। আর যদি জেনেও কেউ কপালে টিপ ব্যবহার করে তাহলে সেটা তার দুর্ভাগ্য; বেশ্যা-পতিতার পরিচয় বোঝানোর জন্য যে টিপের ব্যবহার হতো তা আজ আমাদের উপমহাদেশে ফ্যাশন!

মুসলিম নারীরা এই সত্য জানার পরও কি তাদের কপালে কলঙ্কের টিপ পরবেন?

[সূত্র : তাফসিরে মারিফুল কুরআন। হযরত ইবরাহিম (আ.) মূলগ্রন্থ তাবারী, তারীখ, ১ খণ্ড ১২৩-১২৪; ছালাবী আদি গ্রন্থ, কাসাসুল আম্বিয়া, পৃষ্ঠা: ৮১, আদি ইসলামী ইতিহাস, ইবনে কাসির] সূত্র : দৈনিক অধিকার

নিউজটি শেয়ার করুন :

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন...

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর..

error: Content is protected !!